শিরোনাম
পাহাড়ের বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃতি রক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সজাগ থাকতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরুজিয়াউর রহমান-ই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে রূপরেখা তৈরি করেছিলেন: মীর হেলালআর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদু উত্তর ইয়ারাংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়বান্দরবনের লামায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ৬ ঘন্টা পর উদ্ধারমানিকছড়ির সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল ক্যাম্পেইনকাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় সংবর্ধনাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটিপার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়

রাঙ্গামাটি পৌরসভা নির্বাচন-২১

বেস্ট অব মামুন, চ্যালেঞ্জে আকবর, উঁকি মারছে প্রজেশ

১৮২

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

রাঙ্গামাটি পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার এর সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয়ে গেছে প্রচার প্রচারণা। সদরসহ নয় ওয়ার্ডের কাউন্সিল প্রাতীরা যে যার মতো করে এগুলেও মেয়র প্রার্থীদের হিসাবে একটু জটলাতো বেঁধেছেই। ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে বিএনপি তাদের প্রার্থী এড. মামুনুর রশিদ মামুনকে নিয়ে একেবারে নির্বাচনী জাল বুনে বেস্ট অব মামুন নিয়ে এগুচ্ছে। অপর দিকে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এবং বর্তমান মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী’ এবার নিজের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে বেস্ট অব মামুন, চ্যালেঞ্জে আকবর এই ফাঁকে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী প্রজেশ সুন্দর উঁকিও মারছেন। এছাড়াও বিপ্লবী ওয়ার্কাস পাটি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান রানা এবং স্বতন্ত্র অমর কুমার দে তাঁদের প্রত্যাশা নিয়ে এগুচ্ছেন।

সরে জমিনে দেখা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির প্রার্থী এড. মামুনুর রশিদ মামুন এবং দলের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়েই মাঠে নেমেছেন। প্রতীক বরাদ্দের সাথে সাথেই অনেকটা পরের দিনই পোষ্টার ঝুলিয়েছেন বিভিন্ন এলাকায়। মাঠেঘাটে জোটবদ্ধ হয়ে ভোট চাইতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিচ্ছেন। এবারের নির্বাচে তাদের যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তাতে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন অতুলনীয়ভাবে। ভোটারদের সাথে কথা বললে অনেকেই বলেছেন, এবারের নির্বাচন যথেষ্ট জমবে যদি সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনের পরিবেশকে জনগনের জন্য সুন্দর রাখতে কঠোর হয়। তবে ইভিএম ইলেক্ট্রন্কিস পদ্ধতির ভোট প্রদান সম্পর্কে অধিকাংশ ভোটারই নিয়ম জানেন না। এর পরও ভোটারদের উৎসাহ কম নয়। তারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রস্তুত। এদিকে বিএনপির প্রার্থী এড. মামুন প্রতীক বরাদ্দের পরদিন গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। তুলে ধরেছেন নানান বিষয়-আশয়। প্রশ্নের জবাবও দিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীদের।

মেয়র প্রার্থী এড. মামুনুর রশিদ মামুন বলেছেন, সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের উচিত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রাখা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা দেয়া। চট্টগ্রামের মতো পরিবেশ করা হলে এখানে মানুষের ভোটাধিকার নষ্ট হয়ে পড়বে এবং মানুষ তার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে পারবেনা। বুধবার সকালে শহরের বনরূপাস্থ একটি রেষ্টেুরেন্টের সভায় তিনি আরো বলেন, জনগণ ভোট দিতে উৎসুখ কিন্তু সঠিকভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কিনা চিন্তিত। সকল সম্প্রদায় আমার কাছে সমান তাই মেয়র নয় পৌরবাসীর একজন সেবক হিসেবেই থাকতে চান। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি প্রয়োজন বলেও সাংবাদিকদের জানান তিনি।

অপর দিকে আবারো নিজের দলীয় প্রার্থীতা নিশ্চত করে একেবারে পাকাপোক্তভাবেই আকবর হোসেন চৌধুরী নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পা ফেলছেন ভোটারদের সামনে। নির্বাচনে পৌরআওয়ামীলগের নেতারা নির্বাচন পরিচালনা করছেন। ছাত্রলীগ যুবলীগ একাট্টা হয়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সুত্র জানিয়েছেন। সরে জমিনে দেখা যায়, চিরাচরিতই বিএনপি আওয়ামীলীগের মধ্যে ভোটের প্রতিযোগীতা। এবারও রাঙ্গামাটিতে তাই হচ্ছে। ভোটার অনেকেই জানিয়েছেন, ভোটারদের উপস্থিতিই অন্যতম এখানে কে কাকে ভোট দেবেন নিতান্তই তাদের ইচ্ছের মধ্যেই রয়েছে।

তবে একটু সুরসুরিও হচ্ছে পার্বত্য চুক্তির অন্যতম আঞ্চলিক দল জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এবার তাদের প্রার্থী দেয়নি। ফলে তাদের ভোট ব্যাংক কোন দিকে গড়াচ্ছে তার হিসাব এখন কঠিন ভাবেই দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই গোপনে সোপনে অনেকেই জেএসএস এর দরজার কড়া নাড়ছেন। তাই জেএসএস যে পাল্লায় ভর দেবেন সে পাল্লার বামের বাটকারা উপরে উঠে যাবে। এখন নৌকা-ধানের শীষের প্রচারনায়ই চলছে তুঙ্গে যদিও পৌর মসনদের চাবি ভোটারদের পাহাড় শাসনের চিন্তুকদেরই হাতে।