শিরোনাম
খেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্তরোয়াংছড়িতে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সরঞ্জাম হস্তান্তরএমএন লারমা স্বপ্ন দেখেছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিমার্ণের, তা বাস্তবায়ন হোকগঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যান

মাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় শনাক্ত ও দমন ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মাটিরাঙ্গা পৌরসভা ও গোমতি ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।

স্থাপিত আলোক ফাঁদে ইতোমধ্যে সবুজ পাতা ফড়িং, সাদা পিঠ গাছফড়িং, আঁকাবাঁকা গাছফড়িংসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার মথ ধরা পড়েছে। পাশাপাশি কিছু উপকারী বোলতাও পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে ধানক্ষেতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রানা এবং উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ ইউনুছ নূর আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময়, সংশ্লিষ্ট ব্লকের কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও আক্রমণের মাত্রা সহজে শনাক্ত করা যায়। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসল রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সবগুলো ব্লকে একযোগে এ আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।