শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় দুই ফার্মেসীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানাবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্তদীঘিনালায় বেসরকারি সংস্থার প্রকল্প অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভালংগদু জোনের উদ্যোগে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণখেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় দুই ফার্মেসীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌর সদরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে দুই ফার্মেসীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পরিচালিত এই অভিযানে একটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রির জন্য নিষিদ্ধ ফিজিশিয়ান স্যাম্পল পাওয়া যায়, অন্যটিতে মেলে ওষুধ যথাযথ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ গোপন রাখার প্রমাণ।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৮ ও ৫১ ধারায় মেসার্স জামান ফার্মেসীকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রাখায় এই জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের নমুনা বিক্রি না করতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

একই অভিযানে মেসার্স প্যানাসিয়া ফার্মেসীকে একই আইনের ৫১ ধারায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে ওষুধ নির্ধারিত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করা এবং ওষুধের পাতা এমনভাবে কাটার প্রমাণ মেলে, যাতে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে বোঝা না যায়। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিয়ম মেনে ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো আনিছুর রহমান এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মাটিরাঙ্গা থানার এএসআই আশরাফুল ইসলাম এবং সঙ্গীয় পুলিশ সদস্য মো. গোলাপ হোসেন।

অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ওষুধের যথাযথ সংরক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দৃশ্যমান রাখা এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি না করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সতর্কতা প্রদান করা হয়।