শিরোনাম
কাপ্তাইয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর উদ্যোগে জলাবদ্ধতা নিরসনবিলাইছড়িতে দুর্যোগ কবলিতদের পাশে ইউএনও এবং সেনাবাহিনীব্যাটারি চালিত গাড়ির চার্জ দিতে গিয়ে মাটিরাঙ্গায় বৃদ্ধের মৃত্যু আহত ২প্রকৃতি সংরক্ষণে জাতীয় স্বীকৃতি পেলেন মাটিরাঙ্গার মাহফুজরাজস্থলীতে ছাত্রদলের সদস্যরা দুর্গত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করলোবান্দরবনের থানচিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত খোলা হয়েছে ১৫ আশ্রয় কেন্দ্রবান্দরবনের লামায় পাহাড়ধসে শিশু সহ ৫ জনের মৃত্যুখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতু

প্রকৃতি সংরক্ষণে জাতীয় স্বীকৃতি পেলেন মাটিরাঙ্গার মাহফুজ

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥ প্রকৃতি সংরক্ষণে এক দশকেরও বেশি সময়ের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ পরিবেশকর্মী ও অভিযাত্রী মাহফুজ আহমেদ রাসেল অর্জন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মর্যাদাপূর্ণ ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫’। বৃক্ষ গবেষণা, সংরক্ষণ ও উদ্ভাবন শাখায় (শ্রেণি-ছ) তিনি অর্জন করেছেন প্রথম স্থান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি’র কাছ থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি।

‘বৃক্ষ রোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ।

উল্লেখ্য, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার পূর্ব খেদাছড়ায় মাহফুজ আহমেদ রাসেলের নিরলস প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা ৭৫ একরের প্রাকৃতিক মিশ্র চিরহরিৎ বন ‘পিটাছড়াা’ আজ পরিণত হয়েছে বিপন্ন বন্যপ্রাণীর এক নিরাপদ আশয়স্থলে। ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন শিল্পের সফল ক্যারিয়ার পেছনে ফেলে দেশে ফিরে আসেন তিনি, হাতে নেন বনায়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষণের এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। মাত্র পাঁচ একর জমি থেকে যাত্রা শুরু করা এই প্রয়াস আজ রূপ নিয়েছে ৭৫ একরের এক সংরক্ষিত বনাঞ্চলে।

পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে মাহফুজ আহমেদ রাসেল বলেন, প্রকৃতি, বন ও বন্যপ্রাণীর সুস্থ অস্তিত্বই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই সরকারি স্বীকৃতি তাকে দেশের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে আরও বেশি দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রেরণা জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।