শিরোনাম
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পিস্তল, গুলি সহ ৫ কোটি টাকার আইস উদ্ধাররামগড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে গণ-অধিকার পরিষদের সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে তহজিংডং এনজিওর প্রকল্প অবহিতকরণ সভাবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তরামগড়ে মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভামাটিরাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য পক্ষে সেরা তিন মৎস্যচাষী পেলেন সম্মাননামাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণরাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত

মাটিরাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ

১১

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শুরু হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে গাছের চারা, সার ও কৃষি উপকরণ, যা স্থানীয় কৃষিতে যোগ করেছে নতুন গতি।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিতে কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীতি পিয়া, উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টার এর উদ্যানতত্ত্ববিদ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ ইউনুছ নূরসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগী কৃষকরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, কৃষিকে সমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব করতে সরকার নানামুখী প্রণোদনা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তিনি কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তাঁরা এই সহায়তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেন এবং বেশি বেশি গাছ লাগিয়ে যতœসহকারে তা সংরক্ষণ করেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার, যা বাস্তবায়নে প্রয়োজন সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী পর্যায়ে আরও ৪০০ কৃষককে দেওয়া হবে ৭ ধরনের গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ ও রাসায়নিক-জৈব সার, এবং ৪০ জন কৃষককে দেওয়া হবে লেবুর চারা।

উদ্বোধনী দিনে ৪৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে দেওয়া হয় ৫টি করে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা, ১০০ টাকা মূল্যমানের জৈব সার এবং প্রয়োজনীয় গাছের খুঁটি।