শিরোনাম
কিশোর বাঘাইহাট সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ বিতরণকাপ্তাই উপজেলায় বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী ৪৪৯ জনে শনাক্ত ২৫, সুস্থ ২৪ জনহাতি সংরক্ষণে সরকার নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে: প্রধান বন সংরক্ষকবান্দরবানের থানচিতে দর্শনীয় বহু স্থানের ঐতিহ্যের নামগুলোর সঠিক ব্যবহার দরকারদুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার আলো আর পানির কষ্ট ঘোচাতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগপ্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়ে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বানমা’তো নাই বহুদিন পর নানাবাড়ি এসেছি, আপনাদের খেয়াল রাখব: প্রধানমন্ত্রীপ্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্য খাতে ৫০%ছাড় এবং হাসপাতালে দুইটি সিট বরাদ্দ চাইদেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে সমাবেশ

মাটিরাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ

১১

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শুরু হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে গাছের চারা, সার ও কৃষি উপকরণ, যা স্থানীয় কৃষিতে যোগ করেছে নতুন গতি।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিতে কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীতি পিয়া, উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টার এর উদ্যানতত্ত্ববিদ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ ইউনুছ নূরসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগী কৃষকরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, কৃষিকে সমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব করতে সরকার নানামুখী প্রণোদনা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তিনি কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তাঁরা এই সহায়তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেন এবং বেশি বেশি গাছ লাগিয়ে যতœসহকারে তা সংরক্ষণ করেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার, যা বাস্তবায়নে প্রয়োজন সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী পর্যায়ে আরও ৪০০ কৃষককে দেওয়া হবে ৭ ধরনের গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ ও রাসায়নিক-জৈব সার, এবং ৪০ জন কৃষককে দেওয়া হবে লেবুর চারা।

উদ্বোধনী দিনে ৪৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে দেওয়া হয় ৫টি করে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা, ১০০ টাকা মূল্যমানের জৈব সার এবং প্রয়োজনীয় গাছের খুঁটি।