শিরোনাম
দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে সমাবেশকাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়নের মানুষ একাধিক সুবিধা থেকে বঞ্চিতজাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে দীঘিনালায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালাপাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা: ওয়াদু ভুঁইয়া এমপিরাত নামলেই রামগড়-টু-বারৈয়ারহাট সড়কে বিভিন্ন অংশে ডাকাতিখাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে অনুমোদিত পদ ৮২টি কর্মরত আছেন ১৭দুইটিলা আর্মি ক্যাম্পে কারবারি সম্মেলন ও বিদ্যালয়ে চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ বিতরণদীঘিনালায় দূর্গম মধ্য বানছড়া এলাকায় সেনবাহিনীর চিকিৎসা সেবাদীঘিনালায় বৌদ্ধ বিহারে সেনাবাহিনীর পাওয়ার টিলার প্রদানবান্দরবানের থানচিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে ঝুঁকছে চাষিরা, ফলন ও আয় ভাল

অর্থনৈতিকভাবে জায়গা করে নিচ্ছে পাহাড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো লটকন

১৩

॥ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥
সব মৌসুমি ফলের এক একটি গুণতো রয়েছেই। পাহাড়ে নানান রকমের ফল জন্মায় তাই কোন কোন ফলের গুণে আর রসে যেন মানুষ তাতে একবার হলেও মুখে তুলবেই। টক আর মিষ্ঠিতে মৌসুমি ফল লটকন যেন তার স্বাধকে ঠিকই ধরেই রেখেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবেই এই লটকন জন্মায় ব্যাপকভাবে।

মৌসুমি ফল লটকনের চাহিদা যেমন রয়েছে তেমন অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগীতা করে যাচ্ছে। মৌসুম ভেদে ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার রকমারীতে এই ফল বিক্রি করেও আয়ের হিসাবে বাড়তি অংকের যোগ হয়। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকার হিসাবে লটকনের গুণ আর রসের কারনে এই বাড়তি আয়।

বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা লটকন বিক্রি করে লাখ টাকা আয় করছে বলে জানান। পার্বত্যঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে
জন্মানো টক মিষ্টি স্বাধে সুস্বাদু লটকন যাচ্ছে ঢাকা চট্টগ্রামের বাজার ও ফলের দোকানে। লটকন অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি ফল যা খেলে মুখের রুচি বাড়ে। এটি গ্রীষ্ম কালীন একটি ফল। মে এবং জুন মাসলে এই ফল বাজারগুলোতে হরহামেশাই দেখা যায় বিক্রয় করতে। অর্থনৈতিকভাবে জায়গা করে নিচ্ছে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই লটকন।
ব্যবসায়ী এবং বয়োবৃদ্ধরা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় এটিকে “লটকা’’নটকোনা বা আঁশকন” ফল নামে পরিচিত। প্রতিটি ফল আকার ৩ থেকে ৫ সেন্টিমিটার হয়। ফলের ভেতর রসালো নরম শাঁস এর কেন্দ্রে ২ থেকে ৪টি বড় বাদামী রঙের বীজ থাকে। এটিতে পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন সি, খনিজ এবং প্রেটিন থাকে। এই লটকন ফলটি রাঙ্গামাটি তথা কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন জঙ্গলে প্রাকৃতিক ভাবে লটকন জম্মে থাকে।

মৌসুমি ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন, হাসনাত জানান, পাহাড় হতে এ ফল ক্রয় করছি। প্রতি বস্তা লটকন ৮০০ থেকে ১০০০টাকা ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। ঢাকা-চট্টগ্রামামে এ লটকন এক বস্তা বিক্রি করা হয় ১৫০০ শ’থেকে ২ হাজার টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকা, চট্টগ্রামে এ লটকন কেজি ১৫০টাকা থেকে ২০০টাকা কেজি বিক্রি করা হয়। মৌসুমি ব্যবসায়ী শফি জানান, এবার এ ফল বিক্রি করে প্রায় লাখ টাকা আয় করা হয়েছে।

কাপ্তাই উপজেলা কৃষি অফিসার আহসান হাবীব জানান, কাপ্তাই উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে এ ফল চাষ করা হয়না। এটি প্রাকৃতিক ভাবে বনে-জঙ্গলে জন্মে। তবে এই ফলের চাহিদা রয়েছে স্থানীয় ও অন্যান্য জায়গায়। ফলটি পুষ্টিগুনে ভরপুর।