শিরোনাম
চৌদ্দ দপ্তরে কর্মকর্তা নাই ইউএনও নিজেই ভারপ্রাপ্ত, আঁড়ার কষ্ট-ত বাড়ি যারগইআড়াইশত গাছের লটকন ২ লক্ষ ১০হাজার টাকায় বিক্রি, বাড়ছে তরুন উদ্যোক্তাওএবার কাপ্তাইস্থ চিৎমরম থেকে অজগর উদ্ধার, গত দেড় মাসে ১৮টি সাপ অবমুক্তনতুন জাতের ধানের বীজে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি: ইউএনওদীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় আলুবোখারা চাষে আমরা সফলতা পেয়েছিআওয়ামীলীগ গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতাকে হরণ করেছিল: মাটিরাঙ্গায় বিক্ষোভখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শত পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলো সেনা বাহিনীআসামি জামিনে এসে অবারো হুমকি নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনরামগড়ে কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণসেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের পাঠদানে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে

আড়াইশত গাছের লটকন ২ লক্ষ ১০হাজার টাকায় বিক্রি, বাড়ছে তরুন উদ্যোক্তাও

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
পাহাড়ে উৎপাদিত টক-মিষ্টি লটকন সমতলেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে। লটকন চাষকারীরা স্থানীয়ভাবে চাহিদা মিটিয়ে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সমতলেও যাচ্ছে পাহাড়ের ফল লটকন। এবছর খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় প্রচুর পরিমানে লটকন ফলন হয়েছে।

কৃষি অফিস দেয়া তথ্যমতে দীঘিনালা উপজেলা প্রায় ৮২হেক্টর জমিতে লটকন বাগান করেছে স্থানীয় চাষীরা। দীঘিনালা উপজেলা সবচেয়ে বড় লটকন বাগান করেছেন দীপংকর প্রসাদ চাকমা, তার বাগানে প্রায় আড়াই শত লটকন গাছ রয়েছে। সবগুলো গাছে প্রচুর পরিমানে লটকন ধরেছে। পাহাড়ের ঢালুতে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় লটকন চাষের জন্য উপযোগী। লটকন চাষে খরচ একেবারেই কম, চারা লাগানোর ছয় বছর পর থেকে ফলন আসাতে শুরু করে। গাছ যত বড় হয় ফলনও তত বাড়তে থাকে। পাহাড়ে অন্যান্য ফল চাষের পাশাপাশি লটকন চাষ একটি সম্ভবনার ফসলে পরিনত হয়েছে। তাঁর উদ্যোগের কারনে লটকন চাষে ঝুকছে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা।

স্থানীয় বাজারে লটকনের তুলনামূলক গত দাম অনেক কম। প্রতি কেজি লটকন স্থানীয় বাজারে ৩০-৪০টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। দীঘিনালা উপজেলায় সবচেয়ে বড় লটকন চাষ করেছেন দীপংকর প্রসাদ চাকমা। তিনি বলেন, তাঁর বাগানে ২০১২ সালে সাড়ে তিনশত লটকনের চারা লাগিয়ে ছিলাম ৬বছর পর থেকে ফলন আসতে শুরু করে এবছর আড়াইশত গাছে প্রচুর পরিমানে ফলন এসেছে। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় ব্যবসায়ীর কাছে আড়াইশত গাছের লটকন ২ লক্ষ ১০হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। তিনি আরো বলেন, লটকন চাষ করতে খরচ তুলনামূল কম, গাছ যতবড় হয় ফলনও তত বাড়তে থাকে।

দীঘিনালা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, দীঘিনালা উপজেলায় এবছর প্রচুর মিষ্টি লটকন উৎপাদন হয়েছে। লটকন গাছের বেশি পরিচর্চা করতে হয় না, বছরে একবার গাছের গোড়ায় সামান্য পরিমানে সার দিতে হয়। লটকন চাষ করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।