শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে জমাজমাট মাইনীমূখ বাজারের কোরবানির পশুর হাটদীঘিনালায় গভীর রাতে অন্তনিতার বসতঘর আগুনে ভষ্মিভুতরামগড়ের কৃতি সন্তান সাফায়েত বিসিবির সাধারণ পরিষদের কাউন্সিলর মনোনীতখাগড়াছড়ির রামগড়ে অস্ত্রসহ ইউপিডিএফ এর ৩ সদস্য আটককাপ্তাইয়ে কামাররা দা-বটি ও ছুড়ি বানাতে ব্যস্ত সময় দিলেও হতাশাও রয়েছেরাঙ্গামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাঙ্কুর বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি-সুকুমার, সম্পাদক-সনতকর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যুখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সেনা অভিযানে অস্ত্র সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারভারতে মুসলিমদের ওপর সহিংসতা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনলংগদুতে মসজিদভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময়

রাঙ্গামাটির লংগদুতে জমাজমাট মাইনীমূখ বাজারের কোরবানির পশুর হাট

॥ মোঃ আলমগীর হোসেন, লংগদু ॥
পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটির মাইনী বাজারে জমে উঠেছে কুরবানির হাট-দাম নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে সন্তোষ। প্রতিবছর এ বাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতা ও পাইকাররা ভীড় জমায় গরু ছাগল মহিষ ক্রয় করতে। যেখানে নিজের পছন্দ ও সাধ্যের মধ্যে নিতে পারছেন প্রিয় কুরবানির পশুটি।বিক্রেতা ও খামারিরা যথাসময়ে পশু বাজারজাত করতে পেরে লাভবানের সম্ভাবনা দেখা মিলছে।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পাহাড়ের পরিচিত বড় হাট মাইনীমুখ বাজারে জমে উঠেছে কুরবানীর পশু বিক্রির জমজমাট ব্যবসা। যেখানে সপ্তাহে প্রতি শনিবার হাটের আয়োজন করা হয়। ঈদ কে কেন্দ্র করে বেচাকেনার চাপ বেড়েছে দ্বীগুন। শহরের বিভিন্ন প্রান্থ থেকে কম দামে কুরবানির পশু ক্রয় করতে ছুটে আসে ক্রেতা ও পাইকাররা। পাহাড়ী খামার ও নিজস্ব যতেœ বেড়ে উঠা পশু দিয়ে কুরবানি দিতে স্বাচ্ছন্দ্য পায় অনেকে। ঈদ কে কেন্দ্র করে হাটের দিন গুলোতে ক্রেতা বিক্রেতাদের জন্য স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা জোরদার করেছেন। ইতিমধ্যে গ্রাম্য পরিবেশে ও প্রাকৃতিক খাবারে লালন পালন করা গরু মহিষ আসতে শুরু করেছে হাটে। অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে, এবছর সর্ব্বোচ্চ বেচাকেনার জন্য প্রস্ততি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এবার হাটে সর্ব্বোচ্চ ৩লাখ টাকায় পাহাড়ি খামারের গরু বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমান পর্যন্ত বাজারে আছে লাল বাহাদুর ও কালো বাহাদুর, যাদের দাম হাকানো হয়েছে ৬লক্ষ টাকা। নিরবিচ্ছিন্ন হাটের পরিবেশ পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে ব্যবসায়ীরা।

খামারিরা বলছেন যদি দেশের বাহির থেকে গরু মহিষ প্রবেশ করতে না পারে তাহলে দেশের খামারিরা বিশেষ করে পাহাড়ে গড়ে উঠা খামারিরা লাভবান থাকবে। খামারিরা যেমন লাভবান থাকবে,তেমনি শহর থেকে আসা ক্রেতা ও পাইকাররাও লাভবান হবেন। এ হাটবারের পর আগামী শনিবার মাত্র একটি হাটের দিন আছে,যার ফলে এবাজারে বেচাকেনার মুখ্যম সময়।

লংগদু উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সৌরব সেন এর তথ্যমতে এবছর লংগদু উপজেলার মাইনী বাজারের কুরবানি উপলক্ষে, ক্রেতা বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয় চিন্তা করে প্রশাসন নিয়মিত তদারকি করছেন। এছাড়াও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের পক্ষ হতে, পশু চিকিৎসকরা হাটের দিন পর্যবেক্ষণে থাকছেন। ধারণা করা হচ্ছে এবছর উপজেলায় ১হাজারের অধিক পশু কুরবানি করা হবে।