শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে জমাজমাট মাইনীমূখ বাজারের কোরবানির পশুর হাটদীঘিনালায় গভীর রাতে অন্তনিতার বসতঘর আগুনে ভষ্মিভুতরামগড়ের কৃতি সন্তান সাফায়েত বিসিবির সাধারণ পরিষদের কাউন্সিলর মনোনীতখাগড়াছড়ির রামগড়ে অস্ত্রসহ ইউপিডিএফ এর ৩ সদস্য আটককাপ্তাইয়ে কামাররা দা-বটি ও ছুড়ি বানাতে ব্যস্ত সময় দিলেও হতাশাও রয়েছেরাঙ্গামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাঙ্কুর বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি-সুকুমার, সম্পাদক-সনতকর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যুখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সেনা অভিযানে অস্ত্র সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারভারতে মুসলিমদের ওপর সহিংসতা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনলংগদুতে মসজিদভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময়

কাপ্তাইয়ে কামাররা দা-বটি ও ছুড়ি বানাতে ব্যস্ত সময় দিলেও হতাশাও রয়েছে

॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
ব্যস্ত সময় পার করছে ব্যবসায়ী কামাররা। আর মাত্র ঈদের কয়েকদিন বাকি এরি মধ্যে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় কামাররা দা, বটি, ছুড়ি ও চাপাতি বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছে। তবে উপজেলায় কামারদের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং তারা ব্যস্ত সময় পার করলেও চেহারায় যেন হতাশার ভাব।

পবিত্র কোরবানকে সামনে রেখে দোকানে গিয়ে দেখা যায় কামারদের ঠুংঠং আওয়াজ মেতে উঠেছে। লোহা দিয়ে তৈরি করছে কোরবানির পশু কাটার বিভিন্ন যন্ত্র। যার মধ্যে রয়েছে, কোরবানি পশু কাটার ছোট বড় ছুড়ি, দা,বটি এবং চাপাতা। কামার স্বপন জানান, এবার তেমন একটা অর্ডার নেই, আগেরমত কেউ আর দা-বটি ও ছুড়ি বানানো জন্য তেমন একটা অর্ডার পাওয়া যায়না। আমরা দা,বটি ও ছুড়ি বানানোর পাশাপাশি বাসা থেকে আনা পুরাতন দা,বটি, ছুড়ি ও চাপাতি শান বা ধার দিয়ে থাকি। কিন্তু এবার তেমন একটা অর্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

কামার স্বপন যানান, যারা কোরবানির পশু জবাই করবে তারা অনলাইনে অর্ডার দিয়ে নিয়ে আসে। কিন্তু অনেকে আবার অভিযোগ করে অনলাইনে অর্ডার দেওয়া দা,বটি ও ছুড়ি এবং চাপাতি আনছে সেগুলোর মান তেমন একটা ভালো নয়। অনলাইনে এসবগুলো আমাদের নিকট আনছে শান দেয়ার জন্য। কামার আরিফ জানান, আমরা প্রতি বছর অপেক্ষা করি পবিত্র কোরবানি ঈদের জন্য। আর আমাদের সারা বছরের মধ্যে ব্যবসা চলে ১০/১৫দিন। একটা দা বা বটি শান দিতে ১২০, ১৩০টাকা একটা ছুড়ি ৩০টাকা এবং চাপাতা ৫০/৭০টাকার মত। এখনো তেমন একটা অর্ডার নেই। তবে আর কয়েকদিনের মধ্যে হয়তো ব্যস্ততা বাড়বে বলে জানান। কামাররা জানান, সরকারের পক্ষ হতে আমরা কিছু আর্থিক সহযোগিতা পেলে এই কামার শিল্পকে আমরা বাঁচিয়ে রাখতে পাড়ব। না হয় এই শিল্প অচিরেই ধবংস হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন।