শিরোনাম
বিলাইছড়ি বাজার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনালে ব্রাদারহুড জয়ীজোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে লংগদুর মাইনীমূখ একাদশ চ্যাম্পিয়নকাপ্তাই উপজেলায় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত লক্ষ্যমাত্রা ৬হাজার শিশুবান্দরবনের লামা পৌরসভার বাজেট ১১ কোটি ২৩ লক্ষ, উন্নয়ন খাতে প্রায় ৯ কোটি টাকাঅবশেষে রাঙ্গামাটিতে আয়েশা বেগম হত্যায় জড়িত দুই যুবক গ্রেপ্তাররাজস্থলীতে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবান্দরবনের থানচিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ইউপিডিএফ (প্রসীত) দলের এক কর্মী নিহতখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় জাম গাছ থেকে পড়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রে মৃত্যুচৌদ্দ দপ্তরে কর্মকর্তা নাই ইউএনও নিজেই ভারপ্রাপ্ত, আঁড়ার কষ্ট-ত বাড়ি যারগই

খুব শীঘ্রই জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স ও উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠন হবে: পার্বত্য মন্ত্রী

১৪

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন ও সম্প্রীতি রক্ষাসহ জনগণের সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনআকাঙ্খা পূরণে খুব শীঘ্রই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠন হবে।

সোমবার (১১ মে) খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক, জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী দীপেন বলেন, গ্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাহাড়ের মানুষ তিন পার্বত্য জেলাতেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পাহাড়ের সুষম উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে খাগড়াছড়িতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উৎপাদিত ফল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ এবং সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াতের সুবিধার্থে সড়ক সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এবং স্থানীয়দের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকার মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মানোন্নয়নে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দারিদ্র্য বিমোচনে কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনআকাঙ্খা পূরণে খুব শীঘ্রই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠন হবে।