শিরোনাম
রামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

লংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

১০

॥ মোঃ আলমগীর হোসেন, লংগদু ॥
রাঙ্গামাটির লংগদুতে তিনদিনের নবজাতককে অক্সিজেন সাপোর্ট না দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে লংগদু সদর হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সে চালক রতœ বিকাশ চাকমা এর বিরুদ্ধে। এনিয়ে গুরতর অভিযোগ করেছে নবজাতকের বাাব।

নবজাতকের বাবা আরিফুল ইসলাম জানান, শনিবার বেলা তিনটায় লংগদু উপজেলার ভাসান্যদম ইউনিয়নের ঘনমোড় শীল কাটা ছড়া এলাকা থেকে তিন দিনের নবজাতকের অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবার। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটির অবস্থার অবনতি দেখলে, খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

রেফার করার পর এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়েই চলে গড়িমসি। সরকার নির্ধারিত ভাড়া ১৪শ টাকা হলেও, দুই হাজার টাকার দাবী করেসন চালক রতœ বিকাশ চাকমা। গরীব অসহায় বাবা ১৫শ টাকা দিতে রাজি হন। তখন থেকে পথিমধ্যে তাদের নানা ধরণের খারাপ আচরণ। ভাঙ্গা রাস্তা ও আইলেন দেখে গাড়ি স্পিট বাড়িয়ে দেয়। যখন ভালো রাস্তায় আসে তখন গাড়ির স্পিট কমে যায়। এসব জানতে চাইলে ড্রাইভার আরো বেশী খারাপ আচরণ করে।

নবজাতকের বাবা আরো জানান, যখন খাগড়াছড়ি পৌঁছি তখন একটি প্রাইভেট হাসপাতালের পাশে গাড়ি থামিয়ে সাথে সাথে তিনি বাচ্ছার মুখ থেকে অক্সিজেন খুলে ফেলেন। আমরা কোথায় যাবো, কি করবো ভাবতে না ভাবতে আমার শিশুর অক্সিজেনের অভাবে গাড়িতেই ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে মারা যায়। পরবর্তীতে ড্রাইভার ১৫শ টাকা ভাড়া নিয়ে, আমার সন্তানকে আমার কাছে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে আসেন। নিরুপায় হয়ে আমরা মাহিন্দ্র দিয়ে আবার লংগদুতে ফিরে আসি।

এমতাবস্থায় আমি আমার শিশু সন্তান হত্যার বিচার চাই। আমার সাথে যে অন্যায় করা হয়েছে, তা আর কারো সাথে যেনো না হয়। দ্রুত ড্রাইবারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।

এব্যাপারে ড্রাইভার রতœ বিকাশ চাকমা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন নবজাতকের মা নিজেই অক্সিজেন খুলে ফেলেন। তবে আমি বকশিস হিসেবে কিছু বাড়তি টাকার দাবি করেছি।

এবিষয়ে লংগদু সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নিশাত জাহান নওরীন বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাঙ্গামাটিতে ট্রেনিংয়ে আছেন। আমরা ইতিমধ্যে ঘটনাটি শুনেছি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জিন্নাত আলম”র সাথে কথা বলেছি। তিনি রাঙ্গামাটি থেকে আসলে এব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।