শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানের রুমার দুর্গম এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

১৪

॥ উবাসিং মারমা, রুমা ॥
বিজয়ের মাসে মানবিক দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম অঞ্চলের ১০টি পাড়ার দরিদ্র ও অসহায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আওতাধীন রুমা উপজেলার বাকলাই পাড়া, সেনা সাবজোনের প্রাতা পাড়ায় এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (দি ম্যাজেস্টিক টাইগার্স)-এর উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি পাড়াবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ব্যক্তিগতভাবে শীতবস্ত্র তুলে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাকলাই পাড়া সেনা সাবজোনের সাবজোন কমান্ডার কে এম নজরুল ইসলাম, আলীকদম উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শীতবস্ত্র পেয়ে পাড়াবাসী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের যে সেবা ও সহযোগিতা করে যাচ্ছে, তা আমাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে সহায়তা করছে। আমরা সেনাবাহিনীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
পাড়া পরিদর্শনকালে উপ অধিনায়ক মেজর মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় সাধারণ জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে—ইনশাআল্লাহ। পাহাড়ে বসবাসরত সব জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সেনাবাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের শান্তি বিনষ্টকারী কোনো দল বা গোষ্ঠীর জন্য এ অঞ্চলে কোনো স্থান নেই। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, রাহাজানি ও লুটতরাজসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিহত ও নির্মূল করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত। এ সময় তিনি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রতি আহ্বান জানান, যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।

স্থানীয়রা মনে করছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করার পাশাপাশি শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।