শিরোনাম
বান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোনবাঘাইছড়িতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদানবান্দরবানের লামায় কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগরাঙ্গামাটিতে দূর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ভক্ত অনুরাগীদের অশ্রুনয়নেকাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেওয়া হোকখাগড়াছড়ির রামগড়ে পুজামন্ডপ পরিদর্শনে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিদুর্গাপূজা উপলক্ষে রামগড়ে ৫০ অসহায় নারীকে শাড়ি প্রদানরাঙ্গামাটির লংগদু মাইনীমুখ বাজারের সড়কগুলো প্রভাবশালীদের দখলেখাগড়াছড়ির রামগড়ে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

বান্দরবানের থানচিতে কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হচ্ছে জনজীবন

৯

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
বান্দরবানের থানচির দুর্গম এলাকার পাহাড়ি জনপদে শীতের দাপট বাড়ছে, ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবনের চিত্র দিন দিন বাড়ছে। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে জনপদ। প্রতিদিন সকাল ৯টার আগে সূর্যের দেখা মিলছে না। প্রচন্ত শীতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, বাড়ছে সর্দি-কাশিসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ। সবচেয়ে বেশি অসুখে ভুগছে শিশু, বৃদ্ধ ও নিম্নআয়ের লোকজন।

স্থানীয়রা জানান, ভোরের দিকে ঠান্ডার তীব্রতা এতটাই বেশি যে অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। তাদের কৃষি কাজেও ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুও দুর্ভোগে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডায় খোলা জায়গায় থাকা গরু-ছাগল শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে, এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে থানচির চার ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় গ্রামগুলোতে এখনো পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় নিম্নআয়ের মানুষজন কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। সময়মতো কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে জনদুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। অনেক পরিবার পুরনো কাপড় কিংবা আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করছে।

চাষিরা জানান, ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতের কারনে সকাল থেকেই মাঠে নামতে পারছেন না। সূর্যের দেখা মিলতে দেরি হওয়ায় কাজে হাত লাগানো পিছিয়ে যাচ্ছে, ফলে ব্যাহত হচ্ছে তাঁদের দৈনন্দিন কৃষিকাজ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

অন্যদিকে সচেতনমহল বলেছেন, সামগ্রিকভাবে পাহাড়ে শীতের এই তীব্রতা সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এনেছে নানামুখী দুর্ভোগ। সব মিলিয়ে শীতের প্রকোপে দৈনন্দিন কাজ চালানো চ্যালেঞ্জে হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা জোরদারে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।