শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা প্রদান

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥:
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা জোনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসচ্ছল শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।সোমবার (২০অক্টোবর) দীঘিনালা জোন সদরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৪ই বেংগলের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ওমর ফারুক, পিএসসি এই সহায়তা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা জোনে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় অসচ্ছল শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী এবং দুঃস্থদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা এবং দুঃস্থ পরিবারের জন্য ঢেউটিন প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও, কর্মসংস্থানের জন্য বেকার নারীদের সেলাই মেশিন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানির সমস্যা সমাধানের জন্য পানির ট্যাংক ও মাদ্রাসায় সিলিং ফ্যান বিতরণ করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ওমর ফারুক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনী জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ধরনের সহায়তা কার্যক্রম সামগ্রিকভাবে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সেনাবাহিনীর এই ধরনের পদক্ষেপ এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি স্থাপনে সহায়ক। ভবিষ্যতে এই ধরনের কার্যক্রমের পরিধি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে তারা মনে করেন।