শিরোনাম
সুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা প্রদান

৬

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥:
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা জোনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসচ্ছল শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।সোমবার (২০অক্টোবর) দীঘিনালা জোন সদরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৪ই বেংগলের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ওমর ফারুক, পিএসসি এই সহায়তা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা জোনে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় অসচ্ছল শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী এবং দুঃস্থদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা এবং দুঃস্থ পরিবারের জন্য ঢেউটিন প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও, কর্মসংস্থানের জন্য বেকার নারীদের সেলাই মেশিন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানির সমস্যা সমাধানের জন্য পানির ট্যাংক ও মাদ্রাসায় সিলিং ফ্যান বিতরণ করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ওমর ফারুক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনী জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ধরনের সহায়তা কার্যক্রম সামগ্রিকভাবে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সেনাবাহিনীর এই ধরনের পদক্ষেপ এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি স্থাপনে সহায়ক। ভবিষ্যতে এই ধরনের কার্যক্রমের পরিধি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নেয়া উচিত বলে তারা মনে করেন।