শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

খাগড়াছড়িতে প্রশাসনের ১৪৪ ধারা আর জুম্ম জনতার চলছে অনিদিষ্টকালের অবরোধ

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥
সাজেকে আটকে থাকা পর্যটকদের গাড়ি দীঘিনালা উপজেলায় জোড়াব্রীজ সীমানা থেকে রিসিভ করে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে পৌঁছে দিয়েছে দীঘিনালা জোনের সেনাবাহিনী। খাগড়াছড়িতে সংগঠিত সহিংসতার ঘটনার জের ধরে জুম্মু ছাত্রজনতার ডাকে চলমান অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ও প্রশাসনের জারি থাকা ১৪৪ ধারার মধ্যে জেলা সদর ও গুইমারায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অস্থায়ী সেনা চেকপোস্ট স্থাপনের কারণে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে।

সোমবার (২৯সেপ্টম্বর) দুপুরে সাজেকে আটকে থাকা অর্ধশতাধিক টুরিষ্ট বহনকারী গাড়িসহ ৪শতাধিক পর্যটক বাঘাইহাট জোনের সীমানা থেকে দীঘিনালা জোনের সেনাবাহিনী রিসিভ করে খাগড়াছড়ি সদরে পৌঁছে দিয়েছে। দীঘিনালার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক ফেরার পথে মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন, অবরোধের কারনে আমরা সাজেকে আটকে গিয়েছিলাম সাজেকের স্থানীয়রা অনেক সহায়তা করেছে আর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদেরকে নিরাপত্তার টহল দিয়ে গন্ত্যবে পৌচ্ছে দিচ্ছে। পাহাড়ে সেনাবাহিনীর আন্তারিকতা বলে শেষ করা যাবে না। সত্যি সেনাবাহিনী অনেক প্রশংসার দাবিদার রাখে। ঢাকার হলিক্রিসেন্ট কলেজে ২য় বর্ষের ছাত্রী বুসরা বলেন, চলমান ঘটনায় প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছেলাম অবরোধের কথা শুনে পরে স্থানীয়রা আমাদেরকে সহযোগীতার করেছে এবং সেনাবাহিনী স্কট দিয়ে নিরাপত্তা সহকারে আমাদেরকে সাজেক থেকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। সেনাবাহিনীর অবদান ভুলতে পারব না।

অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় সহিংসতার কারণে গত শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার ১৪৪ ধারা জারি করেন। তিনি জানান, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আধাবেলা এবং শনিবার সকাল–সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ পালন করে জুম্মু ছাত্র–জনতা। এসময় জেলার বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শনিবার দুপুর ২টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা বহাল রাখা হয়। যদিও ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে, তবুও জুম্মু ছাত্রজনতা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর প্রভাব জেলার প্রতিটি উপজেলায় পড়ছে। তবে সেনাবাহিনীর কঠোর তৎপরতা এবং দীঘিনালার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী সেনা চেকপোস্ট স্থাপনের কারণে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।