শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের জীবিকার সুরক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীবাঘাইছড়িতে অবৈধভাবে মজুদ করা সাড়ে ৫ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ জব্দবান্দরবনের থানচিতে হামের সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সীমান্তের মানুষওমাটিরাঙ্গায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পাহাড়ি লিচুর মৌ মৌ গন্ধে মুখর বাজার এলাকাচুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে চুক্তি সম্পাদনকারী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটিতে দীপন তালুকদার দীপুকে-ই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় বিএনপি পরিবারের অনেকেখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধারখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারকাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবিদের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র সরঞ্জামসহ ৯ জন আটক, জনমনে স্বস্তি

১৯

॥ লামা উপজেলা প্রতিনিধি ॥
বান্দরবান জেলার সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে পূর্ণবাসন চাকমা পাড়া এবং ইমানুয়েল ত্রিপুরা পাড়া এলাকায় আলীকদম সেনা জোন কর্তৃক সাঁড়াশি অভিযানে ৯ জন সক্রিয় সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ জুন) বান্দরবান রিজিয়ন সদর দপ্তরের নির্দেশক্রমে ভোর সাড়ে ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের সেনা সদস্যরা জোন উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ (পিএসসি) এর নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করেন।

আটককৃতরা হলো আনন্দ মোহন চাকমা (৭২), শান্তিরাম চাকমা (৩৩), চাতুই চাকমা (৩৫), শান্তি রঞ্জন চাকমা (৩৫), কল্পরঞ্জন চাকমা (৪৫), জ্যোতি বিকাশ চাকমা (২৮), পাখিরাম ত্রিপুরা (৩১), ছতিয় ত্রিপুরা (৬০) এবং জুয়েল ত্রিপুরা (২৬)। নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়ানোর মতো অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন।

উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছেঃ ৪টি গাদা বন্দুক, ২টি ব্যারেল, ৩টি ছুরি, ১টি ইউনিফর্মের নিচের অংশ, এক জোড়া বুট, ১টি ট্যাব, ২টি মোবাইল ফোন এবং ইলেকট্রিক তার। উদ্ধারকৃত অস্ত্র এবং অন্যান্য আলামত জব্দ করে আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আলীকদম সেনা জোনের জোন উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ পিএসসি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠায় অভিযান চলবে। এলাকার সকল জনগণ সন্ত্রাসীদেরকে সকল প্রকার চাঁদা প্রদান হতে বিরত থাকার এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠী চাঁদা চাওয়ার সাথে সাথে আলীকদম সেনা জোনকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন, আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন আলীকদম এবং লামা এলাকায় কোন প্রকার চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল প্রকার চাঁদাবাজি এবং যেকোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সদা তৎপর। অবৈধ অস্ত্রধারী এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্কাবতী সরই সুয়ালক সহ বিভিন্ন এলাকায় অপহরণ চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়ে গেছে। স্থানীয় একটি চক্র এসব ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে। এদিকে এই অভিযানে এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।