শিরোনাম
স্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণাকাপ্তাই নতুন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানরোয়াংছড়িতে অভিভাবকদের নিয়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীস্থ কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার নিরাপত্তায় দেওয়াল নির্মানের দাবি

১২

॥ মোঃ আজগর আলী খান, রাজস্থলী ॥
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার রাজস্থলী বাজার কেন্দ্রীয় দৃষ্টি নন্দন বৌদ্ধ বিহারের পাশের পাহাড়ের মাটি ধসে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। আপাতত মাটির ধস ঠেকাতে পলিথিন বিছিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্বল কান্তি তনচংগ্যা জানান।

মঙ্গলবার (৩ জুন) সকালে ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য উদয় তনচংগ্যা, বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের সদস্য সচিব উজ্বল কান্তি তনচংগ্যা সহ গণমাধ্যম কর্মীগন ভাঙ্গনের কবলে বিহার এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

জানা যায়, রাজস্থলী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজস্থলী বাজার কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের নবনির্মিত দ্বিতালা বিশিষ্ট ভবন বিহারটি প্রায় সমাজের ভিত্তবানের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত হয়। পাশাপাশি ঘিলামুখ রাস্তার মাথায় পাহাড়ের উপরে নির্মিত একটি ৪৫ ফুট বৌদ্ধ মুর্তি ন্থাপন করে এ উপজেলার মধ্যে একটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপন করেছে। বৌদ্ধ মুর্তিটি দেখতে তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগাম ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ধর্মীয় গুরু ও দায়ক-দায়িকাগণ দর্শন করতে আসেন। দুঃখের বিষয় টানা বর্ষণে বিহারের পাশে মাটি ধসে গিয়ে বিহারটি যে কোন সময় ধসে পড়তে পাড়ে। বিষয়টি পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা সুপ্রদীব ও পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের নজরে আনার জন্য দাবি জানান।

এ বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সজীব কান্তি রুদ্র বলেন, টানা তিন দিন প্রবল বর্ষণে রাজস্থলী বাজার মৈত্রী বৌদ্ধ বিহারের মাটি সরে যাওয়ার বিষয়টি আমারও নজরে এসেছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বা উন্নয়নবোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে মাটির ধ্বস প্রতিরোধে গার্ড ওয়াল নির্মাণ করা যায় কিনা চেষ্টা অব্যাহত রাখব।