শিরোনাম
গণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ২০ প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়ার ঘটনায় নুর ইসলাম আটক

১৪

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় বোয়ালখালি নতুন বাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সন্দেহজনক আসামী নুর ইসলামকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে গ্রেফতার করে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩এপ্রিল) সন্ধ্যায় দীঘিনালা থানায় মামলা দায়ের করে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সাধন ঘোষ। মামলা এজাহারে সূত্রে জানা যায়, ২৫ই মার্চ গভীর রাতে আগুন লাগার কিছু সময় আগে (রাত ১টা ৩৭ মিনিট থেকে ১টা ৪২ মিনিট) সন্দেহজনকভাবে একজন ব্যক্তি ঘোরাঘুরি করে এবং আগুন লাগিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাকারিয়া জানান, ২৫ই মার্চ গভীর রাতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা বোয়ালখালি নতুন বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ২০টি দোকান পুড়ে যায়। অন্তত ১০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। গতকাল (বুধবার) ঘটনার সময়ের একটা সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। ঘটনার সময় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় আগুন লাগিয়ে দিয়ে (গ্রেফতারকৃত আসামী) দৌঁড় দেয় এবং কাউকে ডাকাডাকি করেনি। এঘটনায় তাকে সন্দেহজনক আসামী হিসেবে সন্ধ্যায় বোয়ালখালি নতুন বাজার থেকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অসংলগ্ন কথা বলেন।

ওসি আরো বলেন, ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সে আগুন দিয়ে থাকতে পারে। গ্রেফতারকৃত আসামী আদালতে প্রেরণ করা হবে। আমরা আদালতের কাছে আসামী বিরুদ্ধে অন্তত ৫ থেকে ৭ দিনের রিমান্ড চাইব।