শিরোনাম
গণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !

বান্দরবানের লামায় স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে গণধর্ষণ

১২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
বান্দরবানের লামায় স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মিরিঞ্জায় অবস্থিত মিরিঞ্জা ভ্যালী ও মিরিঞ্জা ভ্যালী এগেইন নামক দুইটি রিসোর্টে স্বামীর সহায়তায় স্ত্রীকে ছয়জন মিলে গণধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে লামা থানায় মামলা দায়ের করেছে। বুধবার (১২মার্চ) ধর্ষণের শিকার ওই নারীর দায়েরকৃত এজাহারের পর পুলিশ ওই নারীর স্বামী রুবেল (৩২) ও তার বন্ধু সাগর (৩০) কে গ্রেপ্তার করে।

থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মিরিঞ্জা পর্যটন এলাকায় অবস্থিত রিসোর্ট মিরিঞ্জা ভ্যালীর নাইট গার্ড লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকার আবুল কাশেম (বোবা) এর ছেলে রুবেল (৩২) তার ২য় স্ত্রী কে নিয়ে গত শনিবার রিসোর্টে যায়। সেখানে ওই নারীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চারদিন রেখে ছয়জনে মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। গত মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার নারী রিসোর্ট থেকে পালিয়ে লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঐ নারী থানায় গমন করে পুলিশের নিকট পুরো ঘটনা বর্ণনা করে। এই ঘটনায় চারজনকে এজাহার নামীয় ও দুইজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ধর্ষণের শিকার নারী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। মামলার অন্য আসামীরা হল, লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকার দানু মিয়ার ছেলে জহির (৪০) ও লাইনঝিরি এলাকার কবিরের ছেলে মামুন (২৮)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা দুইজনকে আসামী করা হয়েছে।

লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, মিরিঞ্জা ভ্যালী ও মিরিঞ্জা এগেইন দুইটি রিসোর্ট’ই স্বামীর সহায়তায় এই নারীকে ছয়জনে ধর্ষণ করেছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।