শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প পরিচালিতগণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে শিল্পীদের গানে গানে প্রতিবাদ

৬২

॥ পলাশ চাকমা ॥
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার প্রতিবাদ এবং সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের দাবিতে রাঙ্গামাটিতেও গানে গানে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে শিল্পীবৃন্দ। রবিবার (১৮ আগস্ট) বিকালে শহরের জিমনেসিয়াম মাঠে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্লে-কার্ডে লেখাছিল পাহাড়ে বৈষম্য মূলক শাসন ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে, আদিবাসীদের নিজস্ব ভাষা সংরক্ষণ ও প্রশিক্ষন এর ব্যবস্থা করতে হবে, ভূমি কমিশন আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয় বরং সেনাশাসন এর বিরুদ্ধে এমন লেখাও স্থান প্রায় প্লেকার্ডে। বৈষম্য দুর করতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় আঁকা গ্রাফিতি মুছে দেওয়ার প্রতিবাদ ও পাহাড়ে বৈষম্য মুক্তির দাবিতে গানে গানে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে শিল্পীবৃন্দ এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

প্রতিবাদ কর্মসূচীতে দেখা যায়, কর্মসূচিতে নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়। গানে গানে প্রতিবাদ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী রঞ্জিত দেওয়ান। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গণসংগীত, রণসংগীত, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। কর্মসূচিতে শিল্পীদের মধ্যে গান পরিবেশন করেন পার্কি চাকমা, জোনাকি চাকমা, রুবেল চাকমা সহ রাঙ্গামাটির সংগীত অঙ্গনে পরিচিত অনেক মুখ।

প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ডাকে সারা দেশের ন্যায় খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি শহরের দেয়ালে দেয়ালে লেখন ও গ্রাফিতি আঁকার সময় সামরিক বাহিনীর সদস্যরা অঙ্কন করা গ্রাফিতি মুছে দেয় ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ উঠে পরে ছাত্র ও শিল্পীরা গানে, কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করেন।