॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, হত্যা খুন, উপসনালয়ে হামলা,মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি”, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশের সেনাবাহিনী তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষার্থি, সুশীল সমাজসহ সচেতন নাগরিকদের সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করার আহবান জানিয়েছেন”ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি”রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (৮ আগষ্ট ) এক প্রেস বিবৃতিতে এ আহবান জানান।
প্রথমে কোটা সংস্কার,পরবর্তিতে সরকার পতনের আন্দোলন এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের উপর সংঘটিত এবং অব্যাহত হত্যা খুন, বর্বরোচিত হামলা, অগ্নি সংযোগ, উপসনালয়,মন্দির, ঘরবাড়ী ভাংচুর, লুটপাট, মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কা প্রকাশ করেছে। পরিবর্তিত ও চলমান এই পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি শিক্ষক অরূপ মুৎসুদ্দী। বিবৃতিতে বলা হয় পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থি, সেনা বাহিনীসহ অপরাপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সুশীল সমাজসহ আপামর জনসাধারনের প্রচেষ্টায় দেশ যখন ক্রমেই একটি স্থিতিশীলতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, এর মধ্যে কিছু সংখ্যক স্বার্থান্বেষী দুষ্কৃতকারী ঘরবাড়ী ভাংচুর,লুটপাট ও সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়ে হামলা,হত্যা খুন, অগ্নিসংযোগ, মুর্তি ভাংচুর করেছে এবং তা এখনো অব্যাহত রয়েছে।যার কারনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনমনে ভয় ভীতি, শঙ্কা ও উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে! শুধু তাই নয় এর ফলে দেশে এবং বিদেশে রাষ্ট্রীয় ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং দেশকে পিছিয়ে দিচ্ছে।
তাই বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট হয় এই ধরনের সকল কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপরে হামলা,মুর্তিসহ ঘরবাড়ী ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, হত্যা খুনের ঘটনা চরম মানবাধিকারের লঙ্ঘন। কোনও প্রকার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা,সংখ্যালঘুদের উপসনালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট কখনোই সমীচীন নয়।এধরনের বর্বরোচিত কর্মকান্ড অনাকাঙ্ক্ষিত। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সুশীল সমাজ ও শিক্ষার্থিসহ বিবেকবান সচেতন নাগরিকদের কার্যকরী ভূমীকা রাখতে হবে। এছাড়া মানবাধিকারকে সম্মুনত রেখে সকলকে ধর্য্য, আন্তরিরতা ও সহনশীলতার সাথে কাজ করারও উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন সংগঠনটি।