শিরোনাম
আবারো বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা, পিস্তল সহ গোলাবারুদ উদ্ধারখাগড়াছড়িতে পুত্রবধূকে ধর্ষনের অভিযোগে দেলোয়ারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধনখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিত হলো ২ বাঁশের সাঁকোখাগড়াছড়ির রামগড়ে যুবকের আত্মহত্যারাঙ্গামাটির কাপ্তাইস্থ মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন প্রানমন্ত্রীররাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে পাসের হার ৫১.৮৮ শতাংশ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জনবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে নগদ টাকাসহ দুই চোরাকারবারি আটকআন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে দাবি, চুক্তি বাস্তবায়নে রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবেখাগড়াছড়ির রামগড়ে ভ্রাম্যমান আদালত বন্ধ করলো বাল্যবিবাহরাঙ্গামাটির তুলাবান উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংস্কার করলো বিজিবি

দীঘিনালায় তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে কৃষক ক্যাম্পেইন

৮৮

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
কৃষিই সমৃদ্ধি প্রতিপাদ্য ধারণ করে খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতঃ কৃষক ক্যাম্পেইন আলোচনা সভা করা হয়েছে। সোমবার (২৫মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনে সার্বিক নিদের্শনায় বাবুপড়া এলাকায় এনজিও আনন্দ অফিসের সামনে তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতঃ কৃষক ক্যাম্পেইন সম্পর্কে এক আলোচনা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ নারী ভাইস চেয়ারম্যান মিজ সীমা দেওয়ান, দীঘিনালা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল হক, তামাক ছেড়ে সফল ভূটা চাষী মোঃ বোরহান উদ্দিন প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, তামাক চাষের কারনে সরকার দীঘিনালা উপজেলায় কৃষিতে উন্নয়ন মূলক প্রকল্প দিচ্ছে না। কৃষিতে উন্নয়ন প্রকল্পে সুযোগ সুবিধা তামাক চাষে ব্যবহার যাবে না। তামাক চাষ ছাড়া সকল কৃষি কাজে সরকারি সহযোগিতা পরামর্শ প্রদান করা হবে। তামাক চাষ করে সাময়িক লাভবান হওয়া যায়। তামাকের বিষাক্ত নিকোটিন পরিবার ও পরিবারের শিশু স্বাস্থ্য জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভবিষ্যতে তামাক চাষী পরিবারগুলো সদস্যরা বিশদ আকারে রোগে ভুগবে বর্তমান তামাক চাষের লাভের চারগুন ব্যয় করেও ভালো হবে না। তামাক চাষ ছাড়া মৌসুমি ভিত্তিক বিভিন্ন ফসল চাষ করে লাভবান হওয়ার যায়। এতে করে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে পরিবেশও সুন্দর থাকে। তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে হবে এবং তামাকে ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পের্কে সকলকে সচেতন হতে হবে।

এতে স্বাগত বক্তব্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, দীঘিনালায় আগে ৭শত ৯৪ হেক্টর তামাক চাষ করা হত বর্তমানে ৪শত ২০ হেক্টর চামাক চাষ হচ্ছে। কৃষক তামাক চাষ আগ্রহী কারন হলো কোম্পানিগুলো তামাক চাষিদের দাদ দিয়ে থাকে। এবং উৎপাদিত তামাক ক্রেয় করে। তবে কৃষক ন্যয্য মূল পায় কি তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তামাক চাষের ৪৮ ধরনে মেডিসিন প্রয়োগ করা হয়, মাটি জন্য ক্ষতিকর ও হালদা নদীতে মাছে বংশ বিস্তার ধ্বংস হয়েছে। আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আলোচনা সভাশেষে তামাক চাষ ছেড়ে ভূটা চাষ করায় মোঃ বোরহান উদ্দিনকে সম্মাননা ক্রেস প্রদান করা হয়।