শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

কাপ্তাই সেনাজোনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে শান্তি চুক্তির ২৫’তম বর্ষপূর্তি

৬৯

॥ মোঃ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫’তম বর্ষপূতি উদযাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার (২ডিসেম্বর) সকালে কাপ্তাই সেনাজোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মো.নূর উল্লাহ জুয়েল, পিএসসি, শান্তির পায়েরা ও রঙিন পতাকা উড়িয়ে শান্তি চুক্তির ২৫ বছর উদ্বোধন করে। এরপর কাপ্তাই সেনাজোন অটল ছাপ্পান্ন আয়োজনে শান্তিচুক্তির ২৫বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী মটর শোভাযাত্রা কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় হতে শুরু করে শহীদ আফজাল হলে শেষ হয়। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ষপূর্তিতে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো “ঐক্যের মাঝে শান্তি পাই, পাহাড়ী বাঙালী ভাই ভাই”।

পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি কাপ্তাই জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল নূর উল্লাহ জুয়েল, পিএসসি, বলেন, রাঙ্গামাটি কাপ্তাই সেনাজোন এলাকায় কেউ অশান্তি সৃষ্টি করলে এক বিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনী সব সময় শান্তি, উন্নয়ন ও সর্বদা নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। পাহাড়ে বর্তমান সরকার উন্নয়ন করে চলেছে। কেউ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা সর্বদা শান্তি-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত রয়েছি। আসুন আমরা সকলে বিভেদ ভুলে গিয়ে পার্বত্য এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।

এসময় বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য অংসুইছাইন চৌধুরী, ৪নং ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ ও ভাইজ্যাতলী হেডম্যান থোয়াই অং মারমা। এসময় স্কুল শিক্ষার্থী,শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, পাহাড়ী -বাঙালীসহ এলাকার সর্বস্তরের লোকজন অংশগ্রহণ করে।