শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানে সৎ মাকে হত্যা দায়ের ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৪৩

॥ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥

বান্দরবানে নিজ সৎ মাকে হত্যা দায়ে আলী মোহাম্মদ(৫৪) নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এছাড়াও তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ দালতের বিচারক মোঃ ফজলে এলাহী ভূইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলি মোহাম্মদ (৫৪) সে লামা উপজেলার মেরা খোলা বেগুন ঝিরি এলাকার রওশন আলীর ছেলে।

তথ্যটি সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্র পক্ষে আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ ইকবাল করিম বলেন, আসামীর বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাথে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন আদালত।

আদালতে এজাহার তথ্য অনুযায়ী, রওশন আলী দুটি বিবাহ করেছিলেন। পরে উভয় সংসারে দুই পরিবারের মাঝে সম্পত্তি ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎত বিরোধ চলে আসছিল। ৩০ জুন ১৯৯৮ মঙ্গলবার সকালে সাড়ে সাতটার দিকে মাতামুহুরি নদীতে পানি আনতে যান ফাতেমা বেগম (৪০)। পানি নিয়ে ফেরার পথে আলী মোহাম্মদ ধারালো দা দিয়ে তার সৎ মা ফাতেমা বেগমকে ঘারে কোপ মারেন। এতে ঘার থেকে মাথা দু ভাগ হয়ে গেলে মাটিতে লুটে পড়েন ফাতেম বেগম। পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান আসামী। পরে তাকে ধাওয়া করলে মেরাখোলা স্কুল থেকে তাকে আটক করা হয়। এই মামলায় ৬ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহন শেষে আসামীকে যাবজ্জীবন সহ অর্থদণ্ড দেন আদালত।