শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে কৃষি প্রণোদনা পেলেন মাটিরাঙ্গার নয়শত কৃষকখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাকাপ্তাই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ শুরুভিয়েতনামী লংগান চাষ করে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সফল প্রিয়দর্শী চাকমাখাগড়াছড়ির রামগড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগীতাবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে পিসিপি থানা শাখার ১৮ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন বিভাগের ২২ হাজার চারা বিতরণরাঙ্গামাটির কাপ্তাই এ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে গ্রাহকের বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রতিপক্ষের হামলায় মুক্তিযুদ্ধা পরিবার আহত

১১০

॥ মু. মুবিনুল হক মুবিন , নাইক্ষ্যংছড়ি ॥

নাইক্ষ্যংছড়িতে শারদীয় দূর্গা পূজার শেষে বিজয়াদশমীর দিন মন্দিরে যাওয়ার সময় নিজ বাড়ীর উঠানে প্রতিপক্ষের হামলায় মুক্তিযুদ্ধার স্ত্রী ও সন্তানসহ দুই সদস্য গুরত্বর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

আহত দুই সদস্য হল বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত পরিমল কুমার দাশ এর স্ত্রী অঞ্জলি রাণী (৬০) ও ছেলে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপির মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কুমার দাশ (৪২)।

আহত অঞ্জলি রাণী সাংবাদিকদের জানান, তাদের পাশ্ববর্তী সুকুমার গং এর সাথে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার (৫ অক্টোবর) বিজয়াদশমীর দিন তারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সুকুমারের নেতৃত্বে বহিরাগত সুজন ও নয়নসহ ৬/৭ জন ব্যক্তি লাঠি, লোহার রড, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ছেলেকে মেরে ফেলার জন্য বাড়ির উঠান থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় তাদের নির্দিষ্ট স্থানে। সেখানে এলোপাতাড়ি মারধর ও আঘাতে ছেলের মাতা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত জখম করে।

এ সময় তাদের কবল থেকে ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলে আমাকেও তারা ব্যাপক মারধর করে। খবর পেয়ে লোকজন এসে তাদের থেকে আমাদের উদ্ধার করে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছি।

এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কুমার দাশ বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত সুকুমার থেকে জনতে চাইলে তিনি জানান, আমার স্ত্রীর থুতু ফেলাকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণ আমার উপর চড়াও হলে এ ঘটনা ঘটে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) টানটু সাহা জনান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।