শিরোনাম
ক্যান্সারে আক্রান্ত অনিল তঞ্চঙ্গ্যার চিকিৎসা সহায়তায় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড়ের মাস্টার পাড়ায় ৯ মাদকখোর আটকখাগড়ছিড়ির দীঘিনালায় সেনা জোনের মানবিক সহায়তা প্রদানখাগড়াছড়ির রামগড়ে গাঁজাসহ সিএনজি চালক আটকচীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রী

মানিকছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১৪৬

॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘তথ্য প্রযুক্তির যুগে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত হোক’-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা পরিষদ চত্তরে র‌্যালিত্তর সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সূচয়ন চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী অফিসার রক্তিম রৌধুরী। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাছিনুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুল খালেক, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ শফিউল আলম চৌধুরী, ১নং মানিকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুর রহমান ফারুক। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানী জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটা সময় জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত তথ্য পেতে বিড়ম্বনায় পড়তে হলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জনগণ তার কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য জনগণ অনায়াসে পাচ্ছেন। তথ্য অধিকার আইনের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ঘরে বসেই বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে জনগণ। আর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিভিন্ন মাধ্যমে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও জনগণ যত তথ্য পাবে, তাদের জীবনমানেরও তত উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করেন বক্তারা।