শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

মাটিরাঙ্গা-গোমতি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করলেন বিএনপি নেতা

৮

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা-গোমতি জিসি সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ সাম্প্রতিক অতিভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যান চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। সড়কে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শঙ্কা বিরাজ করছিল। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান (জিয়া) নিজ উদ্যোগেই সংস্কার করলেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে গোমতি ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গোমতি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত অংশে নিজ হাতে সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন সরকার, সদস্য সচিব মোঃ ফোরকান ইমামী, গোমতি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আবুল ফজল ভুঁইয়া, সদস্য সচিব মোরশেদ আলম ও গোমতি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ আবু হানিফসহ দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, উত্তরের চারটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। টানা বর্ষণে গোমতি অংশের প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক পুরোপুরি চলাচল-অযোগ্য হয়ে পড়ে এবং এতে কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি জানার পর জিয়াউর রহমান দ্রুত নিজ উদ্যোগে সংস্কারের ব্যবস্থা নেন।

গোমতি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ আবু হানিফ বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড় ধসে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। আপাতত সংস্কারের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারি উদ্যোগে পুরো সড়কটি দ্রুত পুননির্মাণের দাবি জানান তিনি।

অটোরিকশা চালক সফিকুল ইসলাম বলেন, বড় বড় গর্তের কারণে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, প্রতিদিন দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকত। সংস্কারের পর এখন অনেকটা স্বস্তিতে চলাচল করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, বর্ষা মৌসুমে গুররুত্বপূর্ণ এই সড়কটি সচল রাখতে নেওয়া এ উদ্যোগ ছিল সময়োপযোগী। তবে সড়কটির স্থায়ী সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি সংস্কার হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।