শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

মাটিরাঙ্গা-গোমতি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করলেন বিএনপি নেতা

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা-গোমতি জিসি সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ সাম্প্রতিক অতিভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যান চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। সড়কে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শঙ্কা বিরাজ করছিল। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান (জিয়া) নিজ উদ্যোগেই সংস্কার করলেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে গোমতি ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গোমতি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত অংশে নিজ হাতে সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন সরকার, সদস্য সচিব মোঃ ফোরকান ইমামী, গোমতি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আবুল ফজল ভুঁইয়া, সদস্য সচিব মোরশেদ আলম ও গোমতি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ আবু হানিফসহ দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, উত্তরের চারটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। টানা বর্ষণে গোমতি অংশের প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক পুরোপুরি চলাচল-অযোগ্য হয়ে পড়ে এবং এতে কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি জানার পর জিয়াউর রহমান দ্রুত নিজ উদ্যোগে সংস্কারের ব্যবস্থা নেন।

গোমতি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ আবু হানিফ বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড় ধসে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। আপাতত সংস্কারের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারি উদ্যোগে পুরো সড়কটি দ্রুত পুননির্মাণের দাবি জানান তিনি।

অটোরিকশা চালক সফিকুল ইসলাম বলেন, বড় বড় গর্তের কারণে গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, প্রতিদিন দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকত। সংস্কারের পর এখন অনেকটা স্বস্তিতে চলাচল করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, বর্ষা মৌসুমে গুররুত্বপূর্ণ এই সড়কটি সচল রাখতে নেওয়া এ উদ্যোগ ছিল সময়োপযোগী। তবে সড়কটির স্থায়ী সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি সংস্কার হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।