শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

খাগড়াছড়ির রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফিরছে শিক্ষার্থীরা

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নে অবস্থিত আগুনে পুড়ে যাওয়া কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুন-নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের বিশেষ অর্থায়ন ও রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টি নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবার ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরতে যাচ্ছে বিদ্যালয়টি।

বৃহস্প্রতিবার (২৩জুলাই) দুপুরে পুন-নির্মিত বিদ্যালয় ভবন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী শামীম। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের অব কাঠামোগুলো ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বিদ্যালয়ের ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হলে বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের বিশেষ অর্থায়নে এবং রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বিদ্যালয়টির পুননির্মাণ কাজ শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে বিদ্যালয়টিকে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তোলা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, বিদ্যালয়টি এখন সম্পূর্ণ ভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী। খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীরা নতুন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। শিক্ষা কার্যক্রম যাতে দীর্ঘদিন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই দ্রুত পুন-নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।