শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

খাগড়াছড়ির রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফিরছে শিক্ষার্থীরা

২

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নে অবস্থিত আগুনে পুড়ে যাওয়া কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুন-নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের বিশেষ অর্থায়ন ও রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টি নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবার ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরতে যাচ্ছে বিদ্যালয়টি।

বৃহস্প্রতিবার (২৩জুলাই) দুপুরে পুন-নির্মিত বিদ্যালয় ভবন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী শামীম। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের অব কাঠামোগুলো ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বিদ্যালয়ের ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হলে বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের বিশেষ অর্থায়নে এবং রামগড় উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বিদ্যালয়টির পুননির্মাণ কাজ শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে বিদ্যালয়টিকে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তোলা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, বিদ্যালয়টি এখন সম্পূর্ণ ভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী। খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীরা নতুন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। শিক্ষা কার্যক্রম যাতে দীর্ঘদিন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই দ্রুত পুন-নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।