শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

শ্রান ত্রিপুরার চোখের আলো ফেরাতে দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী

৮৬

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥

খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় শ্রান ত্রিপুরা (৫)। তার একটি চোখের আলো ফেরাতে দায়িত্ব নিয়েছে দীঘিনালা জোনের দি বেবি টাইগার্স সেনাবাহিনী। একটি চোখ গৃহপালিত পশু বিক্রি করে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করেছে। আরেকটি চোখের অপারেশনের তারিখ ১২ জুলাই। কিন্তু অপারেশনের জন্য ছিল অর্থাভাব। খবর পেয়ে দীঘিনালা জোনের সেনাবাহিনী দায়িত্ব নিয়েছেন।

বুধবার(২৯জুন) দুপুরে দীঘিনালা জোন সদরে শ্রান ত্রিপুরা(৫) এর বাবা মোহন ত্রিপুরার হাতে চিকিৎসার জন্য নগদ অনুদান তুলে দেন দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুম্মন পারভেজ পিএসসি।

এসময় দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুম্মন পারভেজ পিএসসি জানান, শিশু শ্রান ত্রিপুরার পরিবার খুবই গরীব। শ্রান ত্রিপুরার দুটি চোখের মধ্যে একটি চোখ অপারেশন করালেও আরেকটি চোখের অপারেশনের জন্য ছিল অর্থাভাব। শ্রান ত্রিপুরার চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে যাবতীয় দায়িত্ব আমরা নিয়েছি। ভবিষ্যতে এধরণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আর্থিক সহায়তা পেয়ে শ্রান ত্রিপুরার বাবা মোহন ত্রিপুরা বলেন, গত ২/৩ মাস আগে শ্রান ত্রিপুরা (৫)র চোখের সমস্যাটি আমাদের নজরে আসে। পরে বাড়ীর গবাদি পশু ও স্বার্নালকার বিক্রি করে এবং সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি চোখের চিকিৎসা করালেও আরেকটি চোখের চিকিৎসা বাকী থাকে। যা আর্থিক সংকটে কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। দীঘিনালা জোন আমার ছেলে একটি চোখের চিকিৎসার জন্য দায়িত্ব নিয়েছে এবং আর্থিক সহাযোগীতা করেছে। এতে আমি সেনাবাহিনীর প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ।