শিরোনাম
রাঙ্গামাটির বরকলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা নাকি অন্য কোন রহস্যরাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় আউশ প্রণোদনা প্যাকেজ বিতরণ ও আম চাষিদের প্রশিক্ষণখাগড়াছড়িতে দুই লাখ টাকা জরিমানা সহ ইটভাটা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনমাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন: পার্বত্য মন্ত্রীঅবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

তদন্ত নির্দেশ দিয়েছেন আদালত

বান্দরবানে ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

৬০

॥ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ॥

বান্দরবানের বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মীর মুহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ বিরুদ্ধে। ঐ নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তার আইনজীবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ সাইফুল রহমান সিদ্দিক সোমবার (২৩ মে) দুপুরে মামলা আমলে নিয়ে বান্দরবান ট্যুরিষ্ট পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

ধর্ষনের অভিযোগ এনে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন বলে তথ্যটি নিশ্চিত করেন বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পেশকার এস এম মাইনুল ইসলাম।
বাদীর আইনজীবির দীপঙ্কর দাশ গুপ্ত এর তথ্যে মতে, ২৩ মে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত বরাবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০(সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১) ধারা ও তৎসহ দন্ডবিধি ৫০৬ (২) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে এজাহার সুত্রে জানা যায়, ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা বিভিন্ন কায়দায় কথা বলেন এবং কোরআন শরিফ ছুঁয়ে শপথ করে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে পরে জোর করে শারিরীক সম্পর্ক করেন। এরপর ২০১৯ সালে ৪ জুলাই বিকালে ঐ নারীকে নিজের অফিসে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে অফিসে এসে নিজ বেড রুমে নিয়ে এক প্রকার ধর্ষণের তান্ডব চালায়। এছাড়াও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করে আসছেন।

পরে শারিরীক সম্পর্কে লীপ্ত হতে না চাইলে ঐ নারীকে নিজ মোবাইলে ইমো হতে ভিডিও কলের মাধ্যমে হুমকি দেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী বিয়ের জন্য মীর মুহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহকে আবারো চাপ প্রয়োগ এবং কোরআন শপথ নেওয়া কথা মনে করিয়ে দিলে ভুক্তভোগী নারীকে নিজের গোপন কক্ষ থেকে বের করে দেন। এ ঘটনা নিয়ে মুখ খুললে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মীর মুহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ জানিয়েছে, এটা তার সম্পর্কে মামলার বাদীনির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পেশকার এস এম মাইনুল ইসলাম বলেন, গত ২৩ তারিখে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আইজীবির মাধ্যমে করলে ২৫ মে বুধবার মামলা শুনানী শেষে ট্রাইব্যুনাল ট্যুরিষ্ট পুলিশকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।