শিরোনাম
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্তদীঘিনালায় বেসরকারি সংস্থার প্রকল্প অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভালংগদু জোনের উদ্যোগে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণখেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্তরোয়াংছড়িতে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সরঞ্জাম হস্তান্তর

লামায় প্রবাসীর গর্ভবতী স্ত্রীকে ‘ধর্ষণ’ বসতবাড়িতে লুটপাট

৯২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥

বান্দরবানের লামায় দুই শিশু সন্তানকে ঘরে তালাবদ্ধ করে এক প্রবাসীর গর্ভবতী স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ, মারধর ও বসতবাড়িতে লুটপাট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি লামা থানায় অভিযোগ করা হয়।

রূপসীপাড়া ইউনিয়নের মেম্বার আবু তাহের বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। পরিবাবারিক দ্বন্দ ও জায়গা জমির বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা কিনা তার খতিয়ে দেখা দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এলাকাবাসী জানায়, পার্শ্ববর্তী এক মহিলা সকালে প্রবাসীর বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে পানি আনতে যায়। তখন প্রবাসীর বাড়ির জানালা দিয়ে দুই শিশুকে কান্না করতে দেখে তিনি এগিয়ে যান। পরে বাড়ির পিছনে উঠানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীকে দেখলে তিনি ডাকাডাকি করলে স্বজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন।

 

ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘরে প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দুই শিশু ছিল। রাত দুইটার দিকে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হলে দুর্বৃত্তরা মুখ চেপে ধরে ভিকটিমের। এসময় তার দুই শিশুকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। পরে ভিকটিমকে ধর্ষণ, রাতভর নির্যাতন ও মারধর করা হয়। দুর্বৃত্তরা বাড়ির আলমারি, ওয়ারড্রব ও শোকেস ভেঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায়।

লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোল্লা রমিজ জাহান জুম্মা বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় রশি কেটে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাকে প্রথমে লামা হাসপাতাল ও পরে জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অপরাধীদের ছাড় দেয়া হবে না। পুলিশ তদন্ত করছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে৷