শিরোনাম
ক্যান্সারে আক্রান্ত অনিল তঞ্চঙ্গ্যার চিকিৎসা সহায়তায় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির রামগড়ের মাস্টার পাড়ায় ৯ মাদকখোর আটকখাগড়ছিড়ির দীঘিনালায় সেনা জোনের মানবিক সহায়তা প্রদানখাগড়াছড়ির রামগড়ে গাঁজাসহ সিএনজি চালক আটকচীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রী

জানাযায় অংশ নেয় খুনিরা

পাওনা টাকা চাওয়ায় খুন হন মাটিরাঙ্গার ব্যবসায়ী আবুল বাশার

৬৬

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ব্যবসায়ী মোঃ আবুল বাশার হত্যাকান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে আটককৃত মোঃ আব্দুস সালাম ও আনোয়ার হোসেন ওরফে সাগর। হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিও দিয়েছে তারা।

বুধবার (২ জুন) সকালে সাংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ। তিনি জানান, পাওনা সাড়ে ৩ লাখ টাকা চাইতে গিয়ে নির্মমভাবে খুন হন ব্যবসায়ী মোঃ আবুল বাশার। হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করেছিলেন হত্যাকাীরা।

তিনি আরো জানান, নিখোঁজের এক দিন পর (গত ২৮ মে) বাড়ী থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের গভীর খাদ থেকে মোঃ আবুল বাশারের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আবুল বাশারের ছোট ভাই আবুল কালাম অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মাটিরাঙ্গা থানায় মামলা করেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ জানান, কয়েক মাস আগে ব্যবসায়ী মোঃ আবুল বাশারের কাছ থেকে ব্যবসা করার কথা বলে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ধার নেয় প্রতিবেশী আব্দুল সালাম। কিন্তু টাকা ফেরত না দেওয়ায় দুই জনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

 

আবুল বাশারকে গল্প করার কথা বলে নিজের মুরগীর খামারে ডেকে নেয় আবদুস সালাম। এক পর্যায়ে আবদুস সালাম থেকে নিজের পাওনা সাড়ে ৩ লাখ টাকা চাইলে আবুল বাশারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুস সালাম প্রথমে লাঠি দিয়ে আবুল বাশারের মাথায় আঘাত করে এবং গলায় রশি পেঁচিয়ে ধরে। এরপর অপর সহযোগী স্থানীয় মোঃ আনোয়ার হোসেন ওরফে সাগরের সহায়তায় কাঠের মোটা লাঠি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ঝুলিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে নিহত আবুল বাশারের বাড়ীর পাশ্বে খাদে মরদেহ ফেলে দায়ের উল্টো দিক দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর তারা পুনঃরায় খামারে ফিরে এসে ঘটনায় ব্যবহৃত আলাম ধ্বংস করে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ জানান, মামলায় আসামী অজ্ঞাত হলেও পুলিশ তদন্তে নেমে প্রথমে আনোয়ার হোসেন ওরফে সাগরকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তিতে অপর হত্যাকারী আব্দুল সালামকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামতও উদ্বার করা হয়। তিনি জানান, হত্যাকারীরা নিজেদের আড়াল করার জন্য আবুল বাশারের লাশ উদ্বার, ময়না তদন্ত ও জানাযায়ও অংশ নেয়।