॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥
হালদা নদীর জীববৈচিত্র রক্ষায় ও মৎস্যসম্পদ রক্ষণে হালদা পাড়ে বসবাসরতদের আরো জনসচেতন হওয়ার আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, হালদার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে স্থানীয় জনসম্পৃক্ততার পাশাপাশি কৃষি জমিতে মাত্রাতিরিক্ত বিষ প্রয়োগ বন্ধ এবং কারেন্ট জাল ও বিষ দিয়ে মাছ নিধন বন্ধে জোরালো ভূমিকার রাখতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও মৎস্যসম্পদ রক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অংশীজনদের অংশগ্রহণে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ড. সুমন বড়ুয়া। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিপন হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন সরকার, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক আবদুল মান্নান, যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্নান, বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আমিরুল ইসলাম রকি, সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান, শিক্ষক নাহিদা আক্তার, সংবাদকর্মী চিংওয়ামং মারমা মিন্টু প্রমূখ।
কর্মশালায় বক্তারা আরও বলেন, হালদা নদীর গুরুত্ব এখনো হালদা পাড়ের মানুষ অনুভব করতে পারেনি। তাই তো তাঁরা হালদা নদীতে বর্জ্য ফেলে, বালু উত্তোলন করে, কারেন্ট জাল ও বিষ প্রয়োগ এবং বাঁধ নির্মাণ করে মাছ ধরার মত কার্যক্রম করছে। এছাড়া নদীর পাড়ের কৃষকেরা তাঁদের চাষাবাদে কৃষি অফিসারদের পরামর্শ না নিয়ে ডিলারদের পরামর্শে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে হালদা নদীর পানি দূষিত করছে। এতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে চরম বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তাই হালদা পাড়ের মানুষকে হালদা রক্ষায় সম্পৃক্ত করা জরুরি।