মানিকছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে তথ্য বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন
॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন, মানিকছড়ি ॥
বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া।
প্রেস কনফারেন্সে তিনি বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে সারাদেশের ন্যায় অত্র উপজেলার চার ইউনিয়নে প্রশিক্ষিত ও সুনির্দিষ্ট পরিচয়পত্রধারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি (খানা) গিয়ে প্রতিটি পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। সংগৃহীত এ তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হবে কোন পরিবাররের সরকারি সহায়তা বেশি প্রয়োজন। তাই মানিকছড়ির সর্বসাধারণকে কোনো তথ্য না লুকিয়ে নিজেদের প্রকৃত আর্থসামাজিক অবস্থা সঠিকভাবে তথ্য সংগ্রহকারীর নিকট তুলে ধরার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, এটি সম্পূর্ণ সরকারি ও বিনামূল্যে পরিচালিত একটি সেবা। আর যদি কোনো অসাধু ব্যক্তি বা প্রতারক চক্র ফ্যামিলি কার্ডে নাম দেওয়ার কথা বলে টাকা দাবি করে, তবে সাথে সাথে সরকারি হেল্পলাইন নম্বর ১০৯৮-এ কল করে অভিযোগ জানাতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যেন বিভ্রান্ত না হন, সেজন্য প্রতিটি এলাকার মসজিদ গুলোতে জুমার নামাজের আগে ৩ মিনিটের বিশেষ ঘোষণা এবং মন্দির, গির্জা ও বিহার গুলোতে ২ মিনিটের বিশেষ ঘোষণার মাধ্যমে জনসাধারণকে সচেতন করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আর তথ্য সংগ্রহের সময় যেন কোনো অসহায়, বয়োবৃদ্ধ বা প্রতিবন্ধী প্রতিবেশী তালিকা থেকে বাদ না পড়েন, সেদিকে লক্ষ্য রেখে তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
কনফারেন্সে প্রেসক্লাব এর সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুর রাশেদ, মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আবদুল মান্নান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বর্তমান অর্থবছরে নতুন ৪০ লক্ষ নারী পরিবার প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী ৩ অর্থবছরে যোগ্য সকল নারী পরিবার প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার আওতায় আনা হবে।