শিরোনাম
আমি দিনমজুর, আপনাদের সহায়তায় আমার সন্তানটি বাঁচতেও পারেবান্দরবনের লামায় বন্যাদুর্গতদের পাশে আবুল খায়ের টোব্যাকোমাটিরাঙ্গায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তাকাপ্তাই নতুন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি- জয়নাল, সম্পাদক- করিমখাগড়াছড়িতে ইয়াবা সহ ডিবি’র হাতে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটকখাগড়াছড়ির রামগড়ে জুলাই শহীদ দিবস উদযাপনখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ‘জুলাই শহিদ দিবস’ পালিতরাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদানবাঘাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠিত

আমি দিনমজুর, আপনাদের সহায়তায় আমার সন্তানটি বাঁচতেও পারে

॥ কাপ্তাই উপজলা প্রতিনিধি ॥
জন্মের পর পরই যে সময়টুকু মায়ের বুকের উষ্ণতায় নিরাপদে বেড়ে ওঠার কথা, অথচ সেই বয়সেই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে মাত্র এক সপ্তাহের শিশুটি। সিজারিয়ানে জন্মের পরপরই ধরা পড়ে তার হৃদযন্ত্রের একটি অংশ ছিদ্র এবং প্রধান রক্তনালিতে জটিল ত্রুটিও রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে শিশুটিকে ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা করানো না গেলে শিশুটির জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এখন মানুষের কাছে হাত পেতে বাবার আঁকুতি সন্তানকে বাঁচাতে।

কিন্তু চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৪ লাখ টাকা, যা দিনমজুর বাবার পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব। শিশুটির বাবা আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন দিনমজুর। মা লাকী আক্তার। রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ৪ নং ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে বসবাসকরেন। এই দম্পতির সামান্য আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। নবজাতকের জটিল রোগ ধরা পড়ার পর থেকে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার বাবা ও মা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিজারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পরপরই শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে চট্টগ্রামের খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে আগ্রাবাদের চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসলিমা বেগম (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমপিএইচ) শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান, তার হৃদযন্ত্রেও এক অংশ ছিদ্র এবং প্রধান রক্তনালিতেও জটিল সমস্যা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে দ্রুত ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা জরুরি। এ জন্য চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও আনুষঙ্গিক ব্যয় মিলিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা প্রয়োজন হবে।

স্বজনদের ভাষ্য, সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে শিশুটির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা বিলম্বিত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যেতে পারে। তাই মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সমাজের সবার প্রতি আবেদন জানিয়েছেন তারা। আনোয়ার হোসেন যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম (বিকাশ) ০১৬৩২-১৬১৪৬৩

আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিদিন কাজ করলে পরিবারের খাবার জোটে, কাজ না থাকলে সংসার চলে না। সন্তানের চিকিৎসার জন্য এত টাকা জোগাড় করার কোনো সামর্থ্য আমার নেই। আমার সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করছি। আমি দিনমজুর মানুষ, আপনাদের সহায়তার আমার সন্তানটি বাঁচতেও পারে।