শিরোনাম
খাগড়াছড়ির রামগড়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহত্যাজলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গ্রামীণ নারীদের নেতৃত্ব বাড়াতে হবেবন্যহাতির আক্রমণে নিহত মংখ্যাইচিং এর পরিবার পেল ৩ লক্ষ টাকারাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ডেঙ্গু জ্বরে একজনের মৃত্যুবাঘাইছড়ির সাজেকে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আহত ১৩উন্নয়ন মানে শুধু মসজিদ, মন্দির কিংবা স্থাপনা নির্মাণ নয়: ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিসকল রির্সোট বুক পূজার ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় কাপ্তাইয়ের পর্যটন কেন্দ্ররামগড়ে মন্দির ও বৌদ্ধ বিহার সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদান বিতরণরামগড়ে সনাতন ছাত্র যুব পরিষদের উদ্যোগে অসহায়দের পূজোর বস্ত্র বিতরণখাগড়াছড়ির পানছড়িতে এসএমজি সহ ১০০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ত্রান বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

১৫

॥ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেছেন পার্বত্য ও ভূমি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
‎
‎পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং তাদের জন্য দ্রুত ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
‎
‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপ্তশ্রী সাহা এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন মজুমদার।
‎
‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি দীপেন তালুকদার দিপু, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মামুনুর রশীদ মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ খাজাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
‎
‎পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। কেউ যেন খাদ্য, চিকিৎসা কিংবা আশ্রয়ের অভাবে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বাঁধ ও অন্যান্য অবকাঠামো সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াান।