শিরোনাম
দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে সমাবেশকাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়নের মানুষ একাধিক সুবিধা থেকে বঞ্চিতজাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে দীঘিনালায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালাপাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা: ওয়াদু ভুঁইয়া এমপিরাত নামলেই রামগড়-টু-বারৈয়ারহাট সড়কে বিভিন্ন অংশে ডাকাতিখাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে অনুমোদিত পদ ৮২টি কর্মরত আছেন ১৭দুইটিলা আর্মি ক্যাম্পে কারবারি সম্মেলন ও বিদ্যালয়ে চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ বিতরণদীঘিনালায় দূর্গম মধ্য বানছড়া এলাকায় সেনবাহিনীর চিকিৎসা সেবাদীঘিনালায় বৌদ্ধ বিহারে সেনাবাহিনীর পাওয়ার টিলার প্রদানবান্দরবানের থানচিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে ঝুঁকছে চাষিরা, ফলন ও আয় ভাল

বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো কোটি টাকার ইয়াবা সহ গ্রেফতার-২

৯

॥ মুবিনুল হক মুবিন, নাইক্ষ্যংছড়ি ॥
বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্ত সহ আশপাশ এলাকায় মাদক পাচার ব্যবসা যেন থামানোই যাচ্ছে না। প্রতিদিনই মাদকের চালান ধরা পড়ছেই। দুদিন পর এবার উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩৯ হাজার ৯ শত ২৪ পিস বার্মিজ ইয়াবা সহ দুই রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সদস্যরা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে সাড়ে ১১ টার দিকে সীমান্ত ৩২ পিলারের কাছাকাছি জামালের ঘের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এসময় এফডিএমএন ক্যাম্প-১ এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা কবির আহমেদের ছেলে কলিমুল্লাহ (২৫) এবং একই ক্যাম্পের বি/২ ব্লকের বাসিন্দা জাকির আহমদের ছেলে সিরাজুল মোস্তফা কে আটক করেন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ান ৩৪ বিজিবি’র সদস্যরা। বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি চৌকস আভিযানিক টহল দল সীমান্ত পিলার ৩২ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামালের ঘের এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সন্দেহজনকভাবে চলাচলকারী ২ ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি করা হলে তাদের কাছ থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এবিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবি জিএম, পিএসসি বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত ২ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করে উদ্ধার হওয়া ইয়াবাসহ তাদের থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলার সচেতনমহল বলেন, আমরা যেন অসহায়। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা যেন মাদক, ইয়াবা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অবৈধ অস্ত্রে ছেলে গেছে। এমন কোন দিন নাই ইয়াবা ও চোরাচালান ধরা পড়ছে না এমনই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। আর্মি, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর যৌথ অভিযান না চালালে এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সাজা নিশ্চিত না হলে এই উপজেলা মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনতি হবে বলে মনে করেন।