শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তায় রামগড়ে হুইল চেয়ার পেলেন প্রতিবন্ধীরাবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো কোটি টাকার ইয়াবা সহ গ্রেফতার-২খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাদক সেবনের অপরাধে যুবকের সাজাসংরক্ষিত বনাঞ্চলে ৪২ থেকে ৪৫টি হাতি রয়েছে বিশ্ব হাতি দিবসে বন বিভাগের তথ্যরাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে ডুবে জেলের মৃত্যু, পঁয়ত্রিশ ফুট গভীর থেকে উদ্ধারমানুষ বলছে বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাদক ইয়াবায় ছেয়ে গেছেখাগড়াছড়ির রামগড়ে এক বিদ্যালয়ের কেউ পাশ করেনিদুর্নীতি প্রতিরোধ ও আইনের শাসন নিশ্চিতে সুশাসনের বিকল্প নেইরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বালু উত্তোলন করায় বালু সহ সেলুমেশিন জব্দখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় যাত্রীছাউনি উদ্বোধন করলেন জোন কমান্ডার

বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে আবারো কোটি টাকার ইয়াবা সহ গ্রেফতার-২

॥ মুবিনুল হক মুবিন, নাইক্ষ্যংছড়ি ॥
বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্ত সহ আশপাশ এলাকায় মাদক পাচার ব্যবসা যেন থামানোই যাচ্ছে না। প্রতিদিনই মাদকের চালান ধরা পড়ছেই। দুদিন পর এবার উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩৯ হাজার ৯ শত ২৪ পিস বার্মিজ ইয়াবা সহ দুই রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সদস্যরা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে সাড়ে ১১ টার দিকে সীমান্ত ৩২ পিলারের কাছাকাছি জামালের ঘের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এসময় এফডিএমএন ক্যাম্প-১ এর বি/১ ব্লকের বাসিন্দা কবির আহমেদের ছেলে কলিমুল্লাহ (২৫) এবং একই ক্যাম্পের বি/২ ব্লকের বাসিন্দা জাকির আহমদের ছেলে সিরাজুল মোস্তফা কে আটক করেন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ান ৩৪ বিজিবি’র সদস্যরা। বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি চৌকস আভিযানিক টহল দল সীমান্ত পিলার ৩২ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামালের ঘের এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সন্দেহজনকভাবে চলাচলকারী ২ ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি করা হলে তাদের কাছ থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এবিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবি জিএম, পিএসসি বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত ২ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করে উদ্ধার হওয়া ইয়াবাসহ তাদের থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলার সচেতনমহল বলেন, আমরা যেন অসহায়। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা যেন মাদক, ইয়াবা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অবৈধ অস্ত্রে ছেলে গেছে। এমন কোন দিন নাই ইয়াবা ও চোরাচালান ধরা পড়ছে না এমনই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। আর্মি, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর যৌথ অভিযান না চালালে এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সাজা নিশ্চিত না হলে এই উপজেলা মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনতি হবে বলে মনে করেন।