শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় দুই ফার্মেসীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানাবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্তদীঘিনালায় বেসরকারি সংস্থার প্রকল্প অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভালংগদু জোনের উদ্যোগে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণখেলাধুলা সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করে: বি. জেনারেল সোহেলমাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপনজব্দ ড্রেজার মেশিন প্রশাসনের অফিস সহায়কের বাসায় কেন প্রশ্ন ব্যবসায়ীদেরহিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে ত্রিপুরা প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপিরাঙ্গামাটিতে অজগর সাপ উদ্ধার, পরে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে

১৬

॥ হ্লাছোহ্রী মারমা, রোয়াংছড়ি ॥
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে পরিচালিত পি অ্যান্ড জি প্রকল্পের লার্নিং সেশন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) উপজেলা টাউন হল রুমে হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এখিং। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল উদ্দীন, রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির, ৩ নম্বর আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, সহকারী প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা হিরণময় তঞ্চঙ্গ্যা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারী এবং চারটি ইউনিয়নের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্পের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের রোয়াংছড়ি এডিপির প্রোগ্রাম ম্যানেজার উসাইম্যা মার্মা। পরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের রোয়াংছড়ি এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রকাশ চাম্বুগং প্রকল্পের কার্যক্রম, অর্জন, সফলতা এবং উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজনিম আলম তুলি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ সম্প্রসারণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে আরও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ কার্যক্রম বিস্তৃৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি উপকারভোগীদের নিরাপদ পানি ব্যবহারের অভ্যাস বজায় রাখার পাশাপাশি পরিবারের প্রতিটি সদস্য, বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপকারভোগীরা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধার কথা তুলে ধরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা। অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রকল্পের অর্জন মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।