শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

রামগড়ে তিন দিনের মাথায় ঘন্টা বাজলো ভষ্মিভূত কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে

২০

‎॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
‎রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় গত ১৮ এপ্রিলের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভষ্মিভুত হয়। পুড়ে গিয়েছিল বই-খাতা সহ শ্রেণিকক্ষ। তবে থেমে যায়নি শিক্ষার্থীরা তাই থেমেও থাকেনি তাদের শিক্ষা কার্যক্রম। তারাও সব বাধা পেরিয়ে আবার শুরু হয়েছে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান।
‎
মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ‎উপজেলা প্রশাসন এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দ্রুত পদক্ষেপে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও বিকল্প ব্যবস্থাপনায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে শ্রেণি কার্যক্রম। পুড়ে যাওয়া ছাইয়ের ওপর দাঁড়িয়েই মঙ্গলবার আবারও বেজে উঠেছে স্কুলের ঘণ্টা।

১৮ এপ্রিলের সেই ভয়াবহ লেলিহান শিখা কেড়ে নিয়েছিল বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র আর অতি প্রয়োজনীয় নথিপত্র। চোখের সামনে প্রিয় বিদ্যাপীঠকে পুড়ে যেতে দেখে থমকে গিয়েছিল শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন। কিন্তু সেই অন্ধকার কেটে গেছে মাত্র তিন দিনের মাথায়। এক শিক্ষার্থী বলেন, ভেবেছিলাম বোধহয় ক্লাসে ফিরতে পারবো না। সব পুড়ে গিয়েছিল, কিন্তু আজ আবার স্যারদের কাছে পড়তে পেরে আমরা খুব খুশি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের জানান, ক্ষতি অনেক বড় হলেও আমরা শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট করতে চাইনি। দ্রুত সংস্কার এবং বিকল্প ব্যবস্থা করে আজ থেকেই পাঠদান শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দ্রুত পুনর্বাসন করা সম্ভব হয়েছে।

এ বিষয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী শামীম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় বই-খাতা সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।