শিরোনাম
সরকারি মাতামুহুরী কলেজের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরুখাগড়াছড়ির রামগড়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিজিবির মানবিক সহায়তারাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৩৮ বোতল দেশীয় কেয়ারু মদ জব্দলামায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতসরকারের প্রধান লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা: দীপেন দেওয়ানকফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরিপার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালঅবশেষে দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদেই মিলল ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির মরদেহ

রামগড়ে তিন দিনের মাথায় ঘন্টা বাজলো ভষ্মিভূত কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে

২০

‎॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
‎রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় গত ১৮ এপ্রিলের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভষ্মিভুত হয়। পুড়ে গিয়েছিল বই-খাতা সহ শ্রেণিকক্ষ। তবে থেমে যায়নি শিক্ষার্থীরা তাই থেমেও থাকেনি তাদের শিক্ষা কার্যক্রম। তারাও সব বাধা পেরিয়ে আবার শুরু হয়েছে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান।

মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ‎উপজেলা প্রশাসন এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দ্রুত পদক্ষেপে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও বিকল্প ব্যবস্থাপনায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে শ্রেণি কার্যক্রম। পুড়ে যাওয়া ছাইয়ের ওপর দাঁড়িয়েই মঙ্গলবার আবারও বেজে উঠেছে স্কুলের ঘণ্টা।

১৮ এপ্রিলের সেই ভয়াবহ লেলিহান শিখা কেড়ে নিয়েছিল বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র আর অতি প্রয়োজনীয় নথিপত্র। চোখের সামনে প্রিয় বিদ্যাপীঠকে পুড়ে যেতে দেখে থমকে গিয়েছিল শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন। কিন্তু সেই অন্ধকার কেটে গেছে মাত্র তিন দিনের মাথায়। এক শিক্ষার্থী বলেন, ভেবেছিলাম বোধহয় ক্লাসে ফিরতে পারবো না। সব পুড়ে গিয়েছিল, কিন্তু আজ আবার স্যারদের কাছে পড়তে পেরে আমরা খুব খুশি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের জানান, ক্ষতি অনেক বড় হলেও আমরা শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট করতে চাইনি। দ্রুত সংস্কার এবং বিকল্প ব্যবস্থা করে আজ থেকেই পাঠদান শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দ্রুত পুনর্বাসন করা সম্ভব হয়েছে।

এ বিষয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী শামীম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় বই-খাতা সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।