পাহাড়ী দাদুর দুরবীণ হইতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক দাদু’র নিকট খোলা চিঠি-০১
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক দাদু পত্রের শুরুতেই আমি পাহাড়-চুড়া, টিলা-নালার অভাগা, পোড়াকপাইল্লা, অধম, বেকুব লাঠি দ্বারা চলিত পাহাড়ী দাদুর হাজার কুঠি আদাব, নমস্কার-সালাম গ্রহন করিবেন। আশা করি মহান সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় অসহায় বাংলার দেড় ডজন কুঠি মানুষ অ-মানুষ লইয়া আপুনি কোন রকুমের দিন যাপন শুরু করিতেছেন। আমিও তিন পাহাড়ী জেলার ষোল লাখের অধিক দাদু-দিদি লইয়া তিন দশকের অধিক টাইমের কলম ধরিয়া পাহাড়ের তলায়, নালায়, চিপায়, কাপ্তাই হ্রদের ধারে, উপুরে টং বানাইয়া, জানপরান হাতে লইয়া, মুক্তিপন আর চাঁন্দা দিয়া, মাথা ফাঠাইয়া, ব্রাশ ফায়ার খাইয়া, ষড়যন্ত্রের জেল খাটিয়া, লুটপাঠ আর ঠেলা গুতোর পাহাড় পর্বতে গড়াগড়ি করিয়া, খাইয়া না খাইয়া কোন রকুমের বাঁচিয়া থাকিয়া এই পোড়াকপাইল্লা, অধম, হতভাগা, বেকুব পাহাড়ী দাদুর ভাঙ্গা দুরবীণ হইতে আপুনার দরবারে কিছু জানাইতে, পাহাড় পর্বত লইয়া ভাবিতে, ভাবাইতে, আগাইতে, ফাঁফিয়া, হাঁপিয়া, কাঁপিয়া, ০১ নম্বর চিঠিখানা লিখিয়াছি। দাদুা’গো দয়া করিয়া এই অভাগা দাদু’র খোলা চিঠিখানা আপুনি একটু সময় দিয়া পড়িবেন, পাহাড় সমতল-লইয়া ভালামন্দ বিচার বিশ্লেষণ করিবেন, আগাইবেন, হ¹ল দিক ঠিক রাখিয়া সুক্ষ্ম চিন্তায় পাহাড় শাসনেরও সুক্ষ্ম ব্যবস্থাপত্রও বানাইবেন।
আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা দাদুগো এই অভাগা পাহাড়ের চুড়ায় থাকিয়া পাহাড় সমতল হ¹ল কোনার বার্তা লইয়া আপুনার দরবারে প্রতি পক্ষে একখানা খোলা চিঠিলিখিয়া যাইব, তয় দাদু’গো দূর্বিফাঁকে পড়িয়া-হারাইয়া মইধ্যে মইধ্যে দুই নয়নে ঝাপসা দেখিয়া পক্ষও অপক্ষে গড়াইতে পারে, দয়া করিয়া অভাগার সমুয়খানা মানিয়া-মানাইয়া লইবেন। দাদু’রে পার্বত্য চট্টুগ্রামেও নানান পরদের সাইন বোর্ড, আধিপথ্য, চাঁন্দাপথ্য, ঘায়েলপথ্য, দখলপথ্য, মাদক-অপকর্মপথ্যের বিস্তার লইয়া বুহুতেও দৌঁড়াইতেছে, লগে বন্দুকের নলায়ও ফটর ফটর করিয়া দাদু-দিদিগোরে খালি পরপারে ঠিকানায় পোস্ট করিতে ওস্তাদ। আপুনি ক্ষেমতা গ্রহনের ১৫৫০ ঘন্টার মইধ্যে দুই-চাইর দাদুরে পরপারে পোস্ট করিয়াছে বলিয়া হতভাগারা পস্ট করিয়াছে। ঐসব পর্বতের বহু ওস্তাতগোর দলাদলী বলাবলি লইয়া জীবন সাঙ্গের ফর্দও সমুয় সমুয় থার্মোমিটারের মতন বাড়িয়া যাইতে-ই থাহে, যাইতে-ই থাহে। ক’দিন জিরানি দিয়া আছমকা ঢুঁস করিয়া ফুটায়। নানান পরদের ষড়যন্ত্রের মন্ত্রে লোহালংকরের ফুঠানির লাগাতার অত্যাচারে অসহায় দাদু-দিদিরা পিষ্ট হইতে হইতে হইতে পরান বাঁচাইতে বৈদ্য ওজাতেও রেজাল্ট জিরো। অভাগারা রাইত দিন সৃষ্টিকর্তারে জবিতে জবিতে, বুক চাপড়াইতে-চাপড়াইতে চোখের জল ফালাইতে ফালাইতে, জানপরান হেই আছে হেই নাই অবুস্থা। তখুন উপুরে করুনাময় সৃষ্টিকর্তারে, নীচে আপুনার দরবারে মিনুতি জানাইতেছে। তয় পাষান্ডগুলাইন বহুত দিন ক্ষেমা দেওনে দাদু-দিদিরা শান্তিতে দিন পার করিয়াছিল, এখুন আবারো ফটর ফটর। যাউ¹া, এইবার পর আলোচনা-সমালোচনা-পরামর্শ হইলো…….
দাদুগো, বহু বছর পরে হইলেও আপুনার রাজনীতির দূরদর্শিতার প্রশংসাপত্র বাড়িতেছে। প্রাক্তন প্রধানমুন্ত্রী খালেদা মা’র ধৈর্য্য দ্যাশের কুটি কুটি দাদু-দিদিগোর মন পাত্থরের মতন কঠিন করিতে সাহস যোগাইয়াছিল। আমাগো পাহাড়ের দাদু-দিদিরাও মরহুমা বেগম জিয়ারে সম্মান জানাইতে রাজনীতিতে পটু না হইলেও দীপেন দাদুরে ভোট দিয়াছে। তয় তিন পাহাড়ের এক পাহাড় হইলো মাদার ডিস্ট্রিক্ট রাঙ্গামাটি। এই মাদার ডিস্ট্রিক্টে আমামীলীগের লুটেরা, টাউট, ধর্ষক আর জবরদখলকারীগোর খপ্পরে পুরিস্থিতিতো বহুত রকুমের দশায় কাটিয়াছিল। আমামীলীগের তালুকাটা, কালাইয়া-সাদাইয়া ফকির, মিচকিন, উজি-মাজি, লেবারকুলির ঔরস, লুইচ্চা, কুইচ্চা মার্কা নেতা দাদুরাতো ক্ষেমতার পাওয়ারে নিজেগোর চেয়ারটেবিলের খুঁটি হাতুরিপেটা করিয়া চিরস্থায়ী বন্দবস্তির স্বপ্নে বিভোর আছিল। দেশের দাদু-দিদিরা যা দেখিলো কহিলো কথায় নাকি কয় পাপে নাকি বাপেরেও ছাড়ে না। হতাশ দাদু-দিদিরা কহিলো যারা লুটপাট লগে লাগাতার অত্যাচার চালাইয়াছিল তাঁগো বিরুদ্ধে ১৭মাসে টুঁ শব্দটি করিলোনা উল্টো নাকি চান্দা-ধান্ধা লইয়া চোর ডাকাইতরেও ছায়া দিয়া রাখিয়াছে, বিএনপির ক্ষেপা দাদু বহুতে নালিশ করিতেছে আপুনি একটু ঘুঁটা দিলেই ফতফত করিয়া চান্দের মতন পুরিস্কার হইবে।
দাদুরে, মাদার ডিস্ট্রিক্টেও বিএনপি দলের নেতা বহুতে মনিস্বপন দাদুরেও দল হইতে বিতারণ করিবার ষড়যন্ত্র হেই চুইংগামের মতন লম্বা। আপুনার মা’জননীরে কথা দিয়া ২০০১ সনে মনিস্বপন দাদু নির্বাচিত হইয়া উপুমন্ত্রী হইলেও হেই সমুয় হইতে আমামীলীগের তেলাতালু দাদুগোর লগে একগোছে যাইয়া বিএনপি’র-ই দল কানা-বেচাবিক্রির নেতামার্কা ইন্দুর নিজেগো ঘরে ষড়যন্ত্রের নেট বুনিয়া মিথ্যা নোটের সিন্ধুক বানাইয়া মনিস্বপন দাদুরে দল হইতে বিতারণ করিয়াই ছাড়িয়াছিল। তয়, হেই ১/১১র ঘোর আমাবশ্যার পুরিস্থিতির পাশকাটাইতে যাইয়া অসহায় মনিস্বপন দাদুও অলি দাদুর ঘরে মেহমান হইয়া আছিল। অন্ধকার কাটিয়া যখন আলোর ছোঁয়া পাইয়াছিল ঠিকই নিজের করা বিএনপির পাকা ভবনে কামবেক করিয়াছিল মনিস্বপন। দাদু’গো বিএনপি’র ঘরের হেই সমুয়ের দল কানা নেতামার্কা গুটিকয়েক ইন্দুরের লুকোচুরির চালে এইবারও মনিস্বপন দাদুরে আলগা আলগা পরিবেশে ঠেলিয়া দিয়া বহুতে মজা মারিলেও এখুন আবার হায় হায়ও করিতেছে, তাঁগো হতাশায় এই অধমেরও মাথা চুলকাইতেছে।
দাদু’গো, বিএনপি দলের তালু চটা নেতা দাদু কয়েকে কহিলো মুন্ত্রী দীপেন দাদুরে কিছু মাস অবজারবেশন করিতেছে, বেঈমানী করিলে তাইনেরে মানিয়া-মানাইয়া লইবার সমুয়ও দিতে রাজি থাকিবে না। আচমকা এই বর্তাসাত্তার লেজ-মাথা কিছুই মাথামুন্ডুতে ঢুকিতেছে-ই না, মনে হইতেছে ত্যাগীগোর মইধ্যে ক্ষোভের দানা টানা বাঁধিতেছে। দলের আরেক ক্ষেপা দাদু কহিলো আছমকা উঁকিমারা বহুতে নাকি মুন্ত্রী দীপেন দাদুর পিছনে লাইন ধরিয়াছে। তয়, দশ কথার এক কথা হইলো মাদার ডিস্টিক্টে টেক্কা দিতে হইলে বিএনপি’র রাজনীতিতে মনিস্বপন দাদুর বিকুল্প নাই। পাহাড়ে আপুনার দল-বল ঠিক রাখিতে, নেতৃত্ব ঠিক করিতে গুরিন্দা বাহিনী লাগাইয়া দেন, এই অধমের ফরমায়েশখানা ভাবিয়া দেখিবেন।
দাদু’গো, তিন পাহাড়ের নেতৃত্ব ঠিক করিতে জেলা পুরিষদ হইতে অন্তর্বুত্তি পুরিষদে দ্রুত ফুলেস্টপ বসাইয়া দেন, দলের যোগ্য-ত্যাগী নেতাগোরে চেয়ারে বসান। তয়, দলের ত্যাগীর পল্লায় ভারি নেতা দাদু-দিদিরা কহিলো বিএনপি’র অদ্বিতীয় কান্ডারী, ত্যাগী সভাপুতি দীপন তালুকদার দাদুরে রাঙ্গামাটি জেলা পুরিষদে, মনিস্বপন দাদুরে উন্নয়ুন বোর্ড নইলে শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারমন করিলে হ¹লই বেজায় খুশী হইবেন। খাগড়াছুরি পাহাড়ের ওয়াদুদ, বান্দরবনের জেরি দাদু’রে টেকনোক্রেটে পুতিমুন্ত্রী পদে হইলেও বসাইতে আপুনার দরবারে নেতাকর্মী বহুতের মিনতি রহিয়াছে। আমি অধম পোড়াকপাইল্লার দূর্বিনে যা পস্ট হইতেছে যারা ঝুঁকি লাইয়া ১৭বছর দল চালাইয়াছে তাইনেগোরে বাদ দিয়া এখুন মুন্ত্রীর পিছনে উঁকিমারাগোরে চেয়ারে পোস্টিং করিলে নের্তৃত্ব লাস্টিং করিবে কিনা ঝুঁকিও বাড়িয়া যাইবে। দলের তৃণমূল নেতাকর্মীর ফরমায়েশ মনিস্বপন দাদুরে হাতছাড়া করণ যাইবে না, জেলা দলের নেতা বহুতে কহিলো তাইনেরে দল ছাড়া করিলে মাদারডিস্ট্রিক্টে বিএনপির শক্ত নেতা আর হইবে না, বিষয়খানা দুইবার ভাবিবেন। যাউ¹া হেইসব কিচ্চাকাহিনী…
দাদুগো বহুত চড়াই উৎরাই পার হইয়া আপুনি বহু বছর পর হইলেও দেশের হাল ধরিয়াছেন। ২৪ তো মুক্তযুদ্ধ-যোদ্ধা, স্বাধীনতা, ইতিহাসরে পায়ের তলায় পিষ্ট করিতে দেশী-বিদেশী বহুত ওস্তাদ গামছা বান্দিয়া নামিয়াছে। আপুনার দল ক্ষেমতার চেয়ারে আসিলে দম বন্দ দশা হইতে দেশের অভাগা কুটি কুটি দাদু-দিদিরা এখুন নাক টানিয়া এক-আধটু আক্সিজেন পাইতেছে। ডরভয় হইলো কেমুন যেন মনে হইতেছে তলাহীন রাজনীতির এনভায়রনমেন্ট লইয়া আমলা বহুতেও গামলা বসাইয়া রাখিয়াছে। হিসাব নিকাশ করিয়া আগাইতে হইবে। যা চিত্র দেখিতেছি দেশের কুটি-কুটি দাদু-দিদিগোর যেই দিনকাল যাইতেছে এক কাপ চা খাইতেও চাইর বার ভাবিতেছে। তয় গোটা দেশে লুটেরা, টাউট, ধর্ষক আর জবরদখলকারীগো খপ্পরে হাজার হাজার মাইল দুর হইতে বিশ^ শয়তান পয়দা করিবার ষড়যন্ত্রপত্রও বানাইবার শক্তি যোগাইয়াছে। মোড়লগোর ষড়যন্ত্রে শেষমেষ বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা মা’রেও দেশ ছাড়া করিয়া ছাড়িয়াছে, হেইডা কিন্তু স্মরনে রাখিবেন। যাউ¹া, হেই স্বাধীনুতা বিরুধী, টাউট বাটপার মার্কা রাজনীতিকগো মিছা কিচ্ছা কাহিনী; তয়, আমাগো দ্যাশ লইয়া স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হননকারীগোর কাইজকামে বিশ^বাসীরেও শরমের সদর দুয়ারে দাঁড় করাইয়াছে। দাদু’রে বিশ^ মোড়ল, ক্ষেমতাধর ট্রাম্প দাদুরেও ড্রামে ভরাইবার দিনক্ষণ সামুনে হাজির হইয়া গিয়াছে। বিশ^ দেখিতেছে দেশে দেশে ইউএস’র ঘাঁটিও এখুন মাটিতে লুটাইতেছে। তয়, ইনুচ দাদুর বাণিজ্য চুক্তিগুলাইন বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করিতে হইবে, পাহাড়ের এই অধম, পোড়াকপাইল্লা, লাঠি দ্বারা চলিত দাদুর পরামর্শ হইলো চুলছেড়া কূটকৌশলে আগাইবেন, ধারে ভরে কাটে এমুন সিদ্ধান্ত লইবেন।
দাদু’গো এদারে ওদারে দায়িত্বের দুই মাস গড়াইতেছে। আর্থিক স্থিতিশীল পুরিস্থিতির আগামাথা কিছুরইতো তালগোল নাই। ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর মানবতাবিরোধী যুদ্ধে ইরানরে উপাড়াইতে যাইয়া বিশ^বাসীর চেহারাও পাল্টাইয়া যাইতেছে। ধার দেনা লইয়া দেশ চালাইতে হিসাব কষিয়াই পা ফেলিতে হইবে। হোঁছট খাইলে দেশী বিদেশী বহুতে বগলের তলে বাঁশি ফুটাইবে। তয় দেশের অজ্ঞ-বিজ্ঞ কুটি কুটি দাদু-দিদিগোর মনেও নানান পরদের চিন্তায় ললাটে ভাঁজ পড়িতেছে। যাউ¹া হেইসব, দাদু’গো আপুনার মুন্ত্রী পুরিষদে দক্ষের অভাব রহিয়াছে বলিয়া মনে হইতেছে। ২৪’র শত শত মিথ্যা মামলার যত তাড়াতাড়ি ইতি টানিয়া দেন। পররাষ্ট্র লগে স্বরাষ্ট্র দুাদুরে শক্ত হইতে টাইট দেন। বিশ^ ব্যাংক লগে নানান পরদের সাইনবোর্ড ব্যবহার করিয়া দারিদ্র বিমোচনের নামে দেশে শত শত দাদু-দিদিগোর কুটি কুটি টাকা আত্মসাত হইয়া যাইতেছে। ইভেলিও লটিপুটিয়া খাইতে যাইয়া শেষমেষ জেলের ঘানি টানিতেছে। ফেইসবুকে অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানের নামে লুটেরা পুঁজিপতিগোর দ্রুত লুটপাটের চিত্র আকার ধারণ কিরিতেছ। এইসব লইয়া আমাগো অর্থমন্ত্রী লগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দাদু’রে দ্রুত তলব করিবেন।
দাদু’গো, বাজারের পুরিস্থিতির নিয়ম বালাইও নাই। যে যার মতনই চালাইতেছে-চলিতেছে, প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট দাদুরাতো ফাঁকে ফাঁকে তথ্য তালাশ লইয়া মাঠে নামিলেও দুই এক ঘন্টার পর হেই আগের চিত্র। দেশের ভোক্তা অধিকারের বয়ানের কড়া শাসন না থাকনের কারনে চোরা, মজুদদারগুলাইন খালি পোক্তাই হইতেছে। এই কষ্টের মইধ্যে আলু দিয়াও ভাত খাওনের ফন্দিও মাইনাসে যাইতেছে। রং চা খাইতে গেলেও ছয়-দশ টাকার নোট ছারিতে হইতেছে। দেশের কুটি কুটি দাদু-দিদিরা গা-সোয়া অর্থে শান্তিতে খাইতে না পারিলে ঘুমাইতে না পারিলে আপুনার স্বপ্নতো দুঃস্বপ্ন হইয়া দেখা দিবে। তয় বিজ্ঞ দাদু বহুতের পরামর্শে কহিলো জনগন বাঁচাইতে সেনসিটিভ নানান ঘাটে আইনসৃংখলাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ন কর্তা বসাইয়া দেন। হঠাৎ করিয়ামে হামে হানা দিয়া বহুত মায়ের কোল খালি হইয়া গিয়াছে। দাদুা’গো দেশের খ্যাতি দুই নম্বর রাজধানী চাঁটগার হ¹ল কোনার হিসাব লইবেন। কিশোর গ্যাংকতো চরম আকার ধারণ করিতেছে। হেইখানে বহুত শয়তান নাকি চোরাগোপ্তা বাসা বান্ধিয়াছে।
দাদু’গো পরম করুণাময় সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় আপনিতো ভালা-মন্দে আপুনার উপদেষ্টা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, লইয়া দেশ পরিচালনা করিয়া যাইতেছেন। এমনিতে মানব সৃষ্ট অত্যাচার,নারী-নির্যাতন, ধর্ষন-হত্যা, দূর্নীতি আর মাদকের ছোবলে পিষ্ট। মানবতাবিরোধীগোর এইসব কাইজ কাম বধ্ করিতে আপুনার নেতা-নেত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, ডিসি, এসপি, আইনশৃংখলা বাহিনী, গুরিন্দা বাহিনীরে কড়া ওয়ার্ডার অব্যাহত রাখিবেন।
দাদু’গো দেশ গঠনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দুর্নীতিমুক্ত নেতা বাচাই করিবেন। জাতিরে কলঙ্কমুক্ত করিতে কঠিন উদ্যোগ লইবেন। যারা অন্ধকারে নিমজ্জিত করিতে চাহে তলে বলে শত্রুরাও উঁকি ঝুঁকি মারিতেছে। আপুনার মতন বিজ্ঞ দাদু’রে জ্ঞান দেয়া আমার মতন লাঠি দ্ধারা চলিত পোড়াকোপাইল্লা, অধম, বেকুব পাহাড়ী দাদুর জ্ঞান কতঠুকুই বা কামে লাগিবে তয় হ¹লদিকেতো শত্রু বাড়িতেছে, হজাগ থাকিবেন, মানবতাবিরোধীদের ঘায়েল করিতে হার্ট লাইনে যাইবেন। দাদু’রে আইজও আর বেশী লম্বা করিতে চাহি না। আয়রণ, সিলভার, গোল্ডেন বুলেটে আবদ্ধ পাহাড় চুড়া লইয়া এই অভাগার বুকের পাঁজরে বহুত ক্ষোভ, দুঃখ বেদনা জন্মিয়া রহিয়াছে, খোলাসা করিয়া আপনার দরবারে দু-চার কলম লেখিয়া আমজনতার উপকার করিতে পারিলে জীবনের পরপারে যাইয়াও শান্তি। আইজ যা লিখিয়াছি ভুলভ্রান্তি হইলে মনে কষ্ট দিলে এই অভাগা পোড়াকপাইল্লা, অধম, বেকুবরে ক্ষমা করিবেন। আপনি ও দেশের ১৭ কুঠি দাদু-দিদির জন্য আর্শিবাদ, দোয়া রইল, সবদিকে দৃষ্টি রাখিবেন, স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখিবেন, ভালা থাকিবেন, হ¹লরে ভালা রাখিবেন। আইজ এই পর্যন্ত…..
ইতি,
আপনারই কুঠি কুঠি দাদু-দিদির পোড়াকোপাইল্লা, অধম, বেকুব
পাহাড়ী দাদু
গ্রন্থনা- এস.এস.বি.এম, তারিখ- ২১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রীঃ