শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

আলীকদমের দুর্গম পাহাড়ে শত পরিবার পেল সেনা জোনের শীতবস্ত্র

১৮

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গাঁ, আলীকদম ॥
পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়ন বজায় রাখতে বান্দবনের আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম কমলাবাগান এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কমলাবাগান এলাকায় এসব শতিবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্থানীয় জনগণ ফুলের মালা দিয়ে জোন কমান্ডারকে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেয়। এ উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসী জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ও সহায়তার কারণে তারা বর্তমানে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবসা- বাণিজ্যসহ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর এমন মানবিক উদ্যোগে তারা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণকালে জোন কমান্ডার বলেন, পাহাড়ি এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আলীকদম সেনা জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি পাহাড়ি অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র গ্রুপের যেকোনো তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতে যেমন জনগণের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও সর্বদা জনগণের পাশে থাকবে।

এসময় মার্মা, চাকমা ও ত্রিপুরা অধ্যুষিত তিনটি পাহাড়ি পাড়ায় মোট ১০০টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।