শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

আলীকদমের দুর্গম পাহাড়ে শত পরিবার পেল সেনা জোনের শীতবস্ত্র

১৮

॥ সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গাঁ, আলীকদম ॥
পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়ন বজায় রাখতে বান্দবনের আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম কমলাবাগান এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কমলাবাগান এলাকায় এসব শতিবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্থানীয় জনগণ ফুলের মালা দিয়ে জোন কমান্ডারকে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেয়। এ উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়। এলাকাবাসী জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ও সহায়তার কারণে তারা বর্তমানে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবসা- বাণিজ্যসহ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর এমন মানবিক উদ্যোগে তারা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণকালে জোন কমান্ডার বলেন, পাহাড়ি এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আলীকদম সেনা জোন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি পাহাড়ি অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র গ্রুপের যেকোনো তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতে যেমন জনগণের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও সর্বদা জনগণের পাশে থাকবে।

এসময় মার্মা, চাকমা ও ত্রিপুরা অধ্যুষিত তিনটি পাহাড়ি পাড়ায় মোট ১০০টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।