কেন হ্যাঁ বা না ভোট দেবো মানুষকে এসব বোঝাতে হবে: পার্বত্য উপদেষ্টা
॥ মিলটন বড়ুয়া ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্ম যাহাতে মানে সম্মানে টিকে থাকতে পারে অন্তর্বর্তী সরকার সেই কাজই করছে। ন্যায় বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই এই গনভোট এবং প্রধান উপদেষ্টা সেই কাজই করছেন। শনিবার (১৫জানুয়ারি) বিকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিকাল ৩ঘটিকায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুব্ধকরণ এ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার, মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, সিভিল সার্জন ডা: নূয়েন খীসা। উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার এর উপপরিচালক মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আলমগীর হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। এসময় গণভোট বিষয়ে কথা বলেন, প্রেস ক্লাব সভাপতি, আনোয়ার আল হক, রাণী দয়ামীয়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক, মহিলা ষিয়ক সংস্থা সহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারিগণ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ। সভার শুরুতে গণভোট উপলক্ষ্যে একটি প্রামান্য চিত্র উপস্থাপন করেন অতিরিক্ষি জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, আমি গণভোটের কথা বলতে এসেছি। আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে এই গণভোট। আমি জুলাইয়ে শাহাদাৎবরণকারীদের স্মরণ করি। দেশের ভবিষ্যৎ কি হবে। এই গণভোট হলো মানুষের ভোটাধিকার সহ বেঁচে থাকার অধিকার। কেন হ্যাঁ বা না ভোট দেবো এসব মানুষকে বোঝাতে হবে। ন্যায় বিচার এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই গণভোট। যারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন তারা জবাবদিহির মধ্যেই থাকবেন। তাই যারা ভোট দেয় নাই তারাও এবার ভোট দিতে পারবে স্বাচ্ছ্যন্দে। সভায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে কথা বলার সুযোগ না রাখায় উপদেষ্টা সংশ্লিষ্টদের বলেন এখানেতো আরো অনেকে আছে তাদেরকেওতো বলার সুযোগ দেওয়া উচিত।
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, বলেছেন, বিগত সরকারের ফ্যাজমের কারনে ২৪ এর ঘনআন্দোলন এসেছে। মানুষ শোষাণ থেকে মুক্ত হতে চায়। জনগনের প্রতিফল যদি হয় তাহলে এটি ভালো উদ্যোগ। তাই পরিবর্তনের জন্য ভোটাররা যাহাতে জেনেশুনে ভোট দেন।
অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, বলেন, আমরা বর্তমান সরকারের নির্দেশনা পালন করছি। আগেও গণভোট হয়েছে। এবারের গণভোট হচ্ছে ২৪ এর আন্দোলনের।
পুলিশ সুপার, মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম, বলেছেন, আমরা আমাদের অবস্থান থেকে কাজ করে যাবো। যারা গুম এবং জঘন্য কাজের সাথে জড়িত আছে বা থাকবে তাদের বিষয়ে আমরা সজাগ আছি।