শিরোনাম
বান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু, বিজিবি’র সদস্য আহতবান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোন

পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব: পার্বত্য উপদেষ্টা

১৫

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
আমাদের প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প আন্তর্জাতিক মানদন্ড ও শ্রম আইন মেনেই বাস্তবায়িত হচ্ছে। কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার। আইএলও এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি এই অগ্রযাত্রায় আমাদের পাশে থাকে, তবে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব।

বুধবার (১৪জানুয়ারি) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর উপদেষ্টা সাবেক রাষ্ট্রদূত অব সুপ্রদপ চাতমা এর সাথে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বাংলাদেশস্থ কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন (Max Tunon)-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

সচিবালয়ে আসা আইএলও প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প আন্তর্জাতিক মানদন্ড ও শ্রম আইন মেনেই বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে। উপদেষ্টা আরো বলেন, কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার। আইএলও এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি এই অগ্রযাত্রায় আমাদের পাশে থাকে, তবে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব। তিনি বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদানের জন্য আইএলও প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর ও জীবনমান উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ট। এ বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারের বৈশ্বিক মানদন্ড নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উপদেষ্টার সাথে তাঁর সচিবালয়স্থ অফিসে সাক্ষাৎকালে আইএলও প্রতিনিধি দল জানান, কানাডা সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত প্রোগ্রেস (ProGRESS) প্রকল্পের মাধ্যমে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ নজর দিতে আগ্রহী। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো নারী উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয়দের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে আইএলও কাজ করতে চায় বলে প্রতিনিধি দল উল্লেখ করে।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং যুগ্ম সচিব অতুল সরকার উপস্থিত ছিলেন। আইএলও-এর প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রেস প্রকল্পের চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার পেড্রো জুনিয়র বেলেন (Pedro Jr. Bellen), আইএলও কান্ট্রি অফিসের হেড অব প্রোগ্রাম গুঞ্জন দালাকোটি (Gunjan Dallakoti) এবং ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার অ্যালেক্সিয়াস চিছাম (Alexius Chicham)।