শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

১০

॥ মানিকছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে মোঃ জহির মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা সদরের সিএন্ডবি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৬-৭ বছর ধরে জহির মিয়া ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে মান-অভিমান চলছিল। অভিমানের এক পর্যায়ে গত কয়েক বছর যাবৎ উপজেলা সদরের সিএন্ডবি এলাকার একটি পুকুরপাড়ে ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরে একাই বসবাস করতেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরের স্থানীয়রা ঝোপের মধ্যে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সে উপজেলা সদরের হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয়ারা আরও জানান, তার স্ত্রী, চার ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাদের মধ্যে দুই ছেলে প্রবাসী, এক ছেলে চট্টগ্রাম শহরে কাজ করেন ও ছোট ছেলে বাড়িতে থাকেন এবং মেয়ের বিয়ে হয়েছে। পরিবারে অভাব অনটন না থাকলেও জহির মিয়া ভাবতেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার অবাধ্য চলাফেরা করছেন। কিন্তু সবারই চলাফেরা ছিল স্বাভাবিক। এতে তিনি অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেও পরিবারের সদস্যরা তাকে বহুবার তাকে বাড়িতে ফেরাতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি বাড়িতে ফেরেননি। অথচ প্লাস্টিকের বোতল কুড়িয়ে বিক্রি করেই তিনি চলতেন। একাই থাকতেন পুকুর পাড়ের ঝুপড়িতে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মানিকছড়ি থানার এসআই মোঃ সাদ্দাম জানান, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।