শিরোনাম
বান্দরবনের লামায় পাহাড়ধসে শিশু সহ ৫ জনের মৃত্যুখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুরাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণ

খাগড়াছড়ির রামগড়ে গরু ঘাঁস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৮

২৭

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ির রামগড়ে গরুর ঘাঁস খাওয়া নিয়ে ঝগড়ার মীমাংসার সালিস বৈঠকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক জন নিহত ও সাত জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে রামগড় পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড তৈচালাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে।

এদিকে ঘটনায় নিহত ব্যক্তি আবুল কালাম আজাদ (৫৫)। তিনি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ও তৈচালাপাড়ায় বসবাস করতেন। আহতরা হলেন শাহাদাত হোসেন, মোঃ শাহীন আলম, শেফায়েৎ উল্লাহ, নুরুল আলম আরিফ, আফসার, আমেনা বেগম, নুরুল আলম খোকন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, তৈচালাপাড়ার বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ও মর্তুজা আলমের সাথে বিরোধপূর্ণ জমিতে গরু ঘাঁস খাওয়া নিয়ে ঝগড়াঝাটি হয়। পরে এ বিষয় নিয়ে বৃহষ্পতিবার রাত ৮টার দিকে তৈচালাপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির অফিসে দুই পক্ষের উপস্থিতি তে সামাজিক সালিস বৈঠক হয়। এতে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌরসভা কাউন্সিলর মোঃ রহিমুল্লাহ, সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌরসভা কাউন্সিলর রেজাউল করিম ফোরকান, সমাজ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে সাবেক কাউন্সিলর রহিমুল্লাহর ছেলে নুরুল আলম আরিফের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে সাদ্দাম হোসেনের ভাই শেফায়েতের বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতি-মারামারিতে লিপ্ত হন। পরে ওই দুইপক্ষ তৈচালাপাড়া দোকানের সামনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ, সাদ্দামের ভাই শাহীন, শাহাদাৎ, শেফায়েৎ, রহিম উল্লাহর ছেলে আরিফ, আফসার, স্ত্রী আমেনা বেগম ও স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আলম খোকন আহত হন। পরে আহতদের রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর আবুল কালাম, শাহাদাত সহ তিন জনকে জরুরি চিকিৎসার জন্য রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গভীর রাতে আবুল কালাম মারা যান। চমেকে চিকিৎসাধীন শাহাদাতের পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। নিহত আবুল কালামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় এখনও কেউ মামলা দায়ের করেনি।