শিরোনাম
বর্ণিল আয়োজনে কাপ্তাইয়ে বৈশাখ বরণ, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানহাসপাতাল নিজেই মাটির সাথে ল্যাপ্টে পড়ে আছে, সেবা বঞ্চিত ২০ হাজার মানুষখাগড়াছড়ির দিঘীনালায় বর্ষবরণ উপলক্ষে বৈশাখী’র আনন্দ শোভাযাত্রাপাহাড়ি ও বাঙালির সম্মিলিত অংশগ্রহণ সত্যিই প্রশংসনীয়: ব্রিগেডিয়ার নুরুল আমিনরাঙ্গামাটিতে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির বৈসু উৎসবে নদীতে ভাসানো হয়েছে ফুলবাঘাইছড়ির বাঘাইহাটস্থ এতিমখানায় সেনাবাহিনীর খাদ্যদ্রব্য বিতরণপার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী উৎসাহ-উদ্দীপনায় উৎসব পালন করছেদীঘিনালায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সেনাবাহিনীর সহায়তা প্রদানমাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ জনগণের মাঝে ইতিবাচক সাড়াপ্রত্যেক জাতিগোষ্ঠী তাদের স্ব-স্ব নামেই সামাজিক এই বৃহৎ উৎসব পালন করবে: পার্বত্য মন্ত্রী

তক্ষশিলা বন বিহারে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

২৪৫

তুফান চাকমা, নানিয়ারচর 

নানা আয়োজনে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ও শনিবার দু’দিন ব্যাপি তক্ষশিলা বন বিহারে ১১’বারের মতো দানোত্তম এ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকাবাসীদের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে কঠিন চীবর দান, বুদ্ধ মূর্তি দান, সঙ্ঘ দান, অষ্ট পরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, হাজার বাতি দান, আকাশ প্রদীপ দান সহ নানাবিধ দানের কার্য সম্পাদন করা হয়।

বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জীবন্ত চাকমা ও প্রজ্ঞা চাকমার যৌথ সঞ্চালনায় গৌতম বুদ্ধের অমৃতবাণী স্বধর্ম দেশনা প্রদান করেন, রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু বিধুর মহাস্থবির, তক্ষশীলা বন বিহারের অধ্যক্ষ করুনাবদ্ধন মহাস্থবির, ধর্মচক্র অরণ্য কুঠির অধ্যক্ষ মহামিত্র মহাস্থবির।

বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিরণ খীসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঘিলাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অমল কান্তি চাকমা, বুড়িঘাট ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোধ খীসা, কুতুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কানন চাকমা, রাঙ্গামাটি সরকারি মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হেনা বড়ুয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সঙ্ঘদীশ বড়ুয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধনকৃত তক্ষশিলা বৌদ্ধ যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি তন্টু বিকাশ চাকমা ও তার সদস্য মিলে পরিষদের মঙ্গল কামনায় একটি চীবর দান করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের যাবতীয় মঞ্চ সাজগোজ করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্ধরা।

দুপুরে কঠিন চীবর এবং কল্পতরু বিহারের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা হয়। এসময় পূণ্য সঞ্চয় করতে আশা দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো দায়ক-দায়িকারা বুদ্ধ, ধর্ম ও সঙ্ঘের জয়ো ধ্বনি দিতে থাকে।