শিরোনাম
রামগড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে গণ-অধিকার পরিষদের সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে তহজিংডং এনজিওর প্রকল্প অবহিতকরণ সভাবান্দরবানের রোয়াংছড়িতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তরামগড়ে মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভামাটিরাঙ্গায় জাতীয় মৎস্য পক্ষে সেরা তিন মৎস্যচাষী পেলেন সম্মাননামাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণরাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিতখালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে পানছড়িতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলখাগড়াছড়ির রামগড়ে সন্ত্রাসীদের দেয়া আগুনে দুই বসতঘর পোড়ানোর অভিযোগ

তক্ষশিলা বন বিহারে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

২৪৬

তুফান চাকমা, নানিয়ারচর 

নানা আয়োজনে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ও শনিবার দু’দিন ব্যাপি তক্ষশিলা বন বিহারে ১১’বারের মতো দানোত্তম এ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকাবাসীদের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে কঠিন চীবর দান, বুদ্ধ মূর্তি দান, সঙ্ঘ দান, অষ্ট পরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, হাজার বাতি দান, আকাশ প্রদীপ দান সহ নানাবিধ দানের কার্য সম্পাদন করা হয়।

বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জীবন্ত চাকমা ও প্রজ্ঞা চাকমার যৌথ সঞ্চালনায় গৌতম বুদ্ধের অমৃতবাণী স্বধর্ম দেশনা প্রদান করেন, রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু বিধুর মহাস্থবির, তক্ষশীলা বন বিহারের অধ্যক্ষ করুনাবদ্ধন মহাস্থবির, ধর্মচক্র অরণ্য কুঠির অধ্যক্ষ মহামিত্র মহাস্থবির।

বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিরণ খীসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঘিলাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অমল কান্তি চাকমা, বুড়িঘাট ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোধ খীসা, কুতুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কানন চাকমা, রাঙ্গামাটি সরকারি মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হেনা বড়ুয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সঙ্ঘদীশ বড়ুয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধনকৃত তক্ষশিলা বৌদ্ধ যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি তন্টু বিকাশ চাকমা ও তার সদস্য মিলে পরিষদের মঙ্গল কামনায় একটি চীবর দান করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের যাবতীয় মঞ্চ সাজগোজ করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্ধরা।

দুপুরে কঠিন চীবর এবং কল্পতরু বিহারের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা হয়। এসময় পূণ্য সঞ্চয় করতে আশা দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো দায়ক-দায়িকারা বুদ্ধ, ধর্ম ও সঙ্ঘের জয়ো ধ্বনি দিতে থাকে।