শিরোনাম
বান্দরবনের লামায় সরই উচ্চ বিদ্যালয়ের অবকাঠোমোর কাজ ৩৫ বছরেও শেষ হয়নিপাহাড়ের বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃতি রক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সজাগ থাকতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরুজিয়াউর রহমান-ই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে রূপরেখা তৈরি করেছিলেন: মীর হেলালআর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদু উত্তর ইয়ারাংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়বান্দরবনের লামায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ৬ ঘন্টা পর উদ্ধারমানিকছড়ির সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল ক্যাম্পেইনকাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় সংবর্ধনাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী উৎসাহ-উদ্দীপনায় উৎসব পালন করছে

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো কেবল আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, বরং এগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সব জাতিসত্তার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

সোমবার (১৩এপ্রিল) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের বাসভবনে আয়োজিত ‘বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-বিহু-চাংক্রান-চাংলান’ উৎসব ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসবগুলো পালন করছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শিকড় ও সংস্কৃতি রক্ষায় এই ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করা এখন সময়ের দাবি।

পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবগুলো আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক। এই সংস্কৃতির ধারাকে আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও তাদের স্বকীয় সংস্কৃতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ভোটে বিজয়ী এই সরকার এর প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে। মন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল সম্প্রদায়ের এই সামাজিক উৎসবগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে স্ব-স্ব নামে পালনের পূর্ণ অধিকার ও স্বীকৃতি পাবে। তিনি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের মাধ্যমে দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষে মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশের মানুষকে বাংলা নববর্ষ ও বিজুর মৈত্রীয় শুভেচ্ছা জানান।