শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুর্বৃত্তদের ব্রাশ ফায়ারে নিহতদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ

১৬০

॥ ইব্রাহীম, বাঘাইছড়ি ॥

২০১৯সালের ১৮মার্চ ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন শেষে বাঘাইহাট হতে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে ফেরার পথে ৯কিলো নামক এলাকায় দুর্বৃত্তদের ব্রাশফায়ারে ঘটনস্থালে ৬ ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১জন মৃত্যু বরণ করেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা ও নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তারের উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মিত হয়।

বুধবার দুপুরে স্মৃতিস্তম্ভে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম ও সাগরিকা চাকমা, ইউপি চেয়ারম্যান অলিভ চাকমা, আপন চাকমা, বিল্টু চাকমা, নির্বাচন অফিসার চৈতালী চাকমা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান প্রমুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আমি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাথে ভালোভাবে পরিচিত হয়েছি ২০১৯ সালের ১৮ মার্চের নির্বাচনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এরমধ্যে বাঘাইছড়িতে এসে অনেকের দাবী পেলাম সেই ঘটনায় নিহতদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য। উপজেলা চেয়ারম্যানের আগ্রহে অবশেষে নির্মিত হলো স্তম্ভটি।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে নিহতদের পরিবারের দাবী এবং আমাদের উদ্যোগ ছিলো একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অবশেষে আজ নির্মিত হলো। আমাদের ভালো লাগছে শহীদদের নাম বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারবে।

শহীদ মিহির কান্তি দত্তের ছেলে পিয়াল দত্ত বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও মহোদয়ের প্রচেষ্টায় আমাদের দাবীটি পূর্ণ হলো। এখন অন্তত প্রতি বছর তাদের স্মরণে একটু দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবো।