শিরোনাম
বান্দরবনের লামায় সরই উচ্চ বিদ্যালয়ের অবকাঠোমোর কাজ ৩৫ বছরেও শেষ হয়নিপাহাড়ের বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃতি রক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সজাগ থাকতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরুজিয়াউর রহমান-ই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে রূপরেখা তৈরি করেছিলেন: মীর হেলালআর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদু উত্তর ইয়ারাংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়বান্দরবনের লামায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ৬ ঘন্টা পর উদ্ধারমানিকছড়ির সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল ক্যাম্পেইনকাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় সংবর্ধনাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি

দীঘিনালায় সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎস উদযাপন

১০৪

॥ মোঃ সোহেল রানা দীঘিনালা ॥

অহিংসা পরম ধর্ম গৌতম বুদ্ধে মহান বানী ধারন করেমাস ব্যাপি শুরু হয়েছে বিহারের দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব। খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় সার্বজনীন শালবন বৌদ্ধ বিহারের মহান দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব পালন করা হয়েছে।

সোমবার(১০ অক্টোরব) সকালে সার্বজনীন শালবন বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটি ও নাগরিক সংবর্ধনা উদযাপন কমিটির আয়োজনে দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসবে কবাখালী মৈত্রী বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত বিশুদ্ধানন্দ মহাথের সভাপতিত্বে প্রধান আশিবাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা শাসন শোভন ভদন্ত ড.জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য মিজ শতরূপা চাকমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ কাশেম, দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এককে এম পেয়ার আহম্মেদ, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো: মোস্তফা কামাল মিন্টু, প্রধান ধর্মদেশক বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচির ড. জ্ঞানরত্ন মহাথের, বিশেষ ধর্মদেশক পার্বত্য্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ দীঘিনালা শাখার সভাপতি ভদন্ত চন্দ্রর্কীতি মহাথের প্রমূখ। এতে স্বাগত বক্তব্যে রাখেন সার্বজনীন শালবন বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেবপ্রিয় বড়ুয়া।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, সকল ধর্মের বানী মানুষের কল্যানের জন্য গৌতম বুদ্ধের প্রধান বানী অহিংসা পরম ধর্ম ধারন করে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা পালক করে যাচ্ছে ধর্ম। সবে শর্তা সুখিতা হন্ত অর্থ্যা জগতে সকল প্রাণী সুখি হ্উক তারা জগতে সকল প্রাণীর জন্য সুখ শান্তির জন্য শান্তি কামনা করে। পাহাড়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করে।

আলোচনা সভাশেষে ধর্মীয়গুরুরা বৌদ্ধ ধর্মালম্বী দায়ক-দায়ীকা পূর্ন্যার্থীদের নিয়ে ধর্মী দেশনা পাঠ করেন এবং দেশের শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন।