শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

বান্দরবানে পৌর মেয়রসহ ৪জনে বিরুদ্ধে গ্রেফতারের আদেশ

৬০

॥ আকাশ মারমা মংসিং, বান্দরবান ॥

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবীসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের আদেশ দিয়েছেন বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক এ আদেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা যায়।

তারা হলেন, পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, মাহাবুর রহমান, নাছির উদ্দিন, মেয়র একান্ত সচিব আশুতোষ দে, শেখ ফরিদ উদ্দিন, মোঃ মিলন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মহোতুল ইসলাম তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নারী নির্যাতন, ভাঙচুর, বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে ২০২১ সালের ১৮ জুন মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, মাহাবুর রহমান, নাছির উদ্দিন, আশুতোষ দে, শেখ ফরিদ উদ্দিন, মোঃ মিলনসহ সাতজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন রেহেনা আক্তার নামের এক নারী। আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে ওসিকে (ট্যুরিস্ট পুলিশ) তদন্তের নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে নাছির উদ্দিন, আশুতোষ দে, শেখ ফরিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পরে প্রতিবেদনে নারাজি দেন বাদী রেহেনা আক্তার।

মামলার অদিক তদন্তে মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সোমবার মেয়রসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবীর একান্ত সহকারী আশুতোষ দে বলেন, রেহেনা আক্তার নামের এক নারী মামলা করেছিলেন।